সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: নতুন ভোটার (New Voter) হতে চাইছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল বড় খবর। এবার আর যে কেউ হতে পারবে না ভোটার। ফর্মে চাওয়া হচ্ছে নতুন তথ্য। বেশ কয়েকটি রাজ্যে সম্পন্ন হয়েছে এসআইআর বা ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন। তবে সেই সূত্রেই এবার নির্বাচন কমিশন ৬ নম্বর ফর্মে সংশোধন করেছে। এখন থেকে নতুন ভোটার হতে গেলে তাকে জানাতে হবে যে তার বাবা-মা কিংবা ঠাকুরদা-ঠাকুমা আগের এসআইআর-এ তালিকাভুক্ত ছিলেন কিনা। যদি না থাকেন তাহলে হওয়া যাবে না ভোটার।
বদলে গেল ভোটারের ফর্ম
প্রসঙ্গত, ২০২৬-এ ১০টি রাজ্যে এসআইআর-র পর ভোটার তালিকা থেকে অন্তত ৫.৫৮ কোটি মানুষের নাম বাদ পড়েছে। সেই কারণেই এবার যাচাই করছে নির্বাচন কমিশন। যদি এসআইআর-এ বাবা-মা কিংবা ঠাকুরদা-ঠাকুমার নাম না থাকে তাহলে নতুন করে ভোটার হতে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। নির্বাচন কমিশনের ECINET পোর্টালে থাকা ৬ নম্বর ফর্মে J এবং K নামের দুটি বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। আর এই বিভাগগুলোতে আবেদনকারীর বাবা-মা, ঠাকুরদা-ঠাকুমার বিবরণ দরকার পড়ছে। এমনকি তার জন্য তিনটি বিকল্প দেওয়া হয়েছে।
প্রথম বিকল্পে রয়েছে ‘আমার নাম পূর্ববর্তী এসআইআর-র ভোটার তালিকায় রয়েছে।’ দ্বিতীয় বিকল্পে রয়েছে ‘আমার বাবা-মা কিংবা ঠাকুরদা-ঠাকুমার নাম পূর্ববর্তী এসআইআর ভোটার তালিকায় রয়েছে।’ আর তৃতীয় বিকল্পে রয়েছে ‘পূর্ববর্তী এসআইআর-এর ভোটার তালিকায় আমার কিংবা আমার বাবা-মায়ের নাম নেই।’ তবে যদি প্রথম বা দ্বিতীয় বিকল্প নির্বাচন করা হয় তাহলে সেই ব্যক্তির বিধানসভা কেন্দ্র, ভোটকেন্দ্র, ভোটার তালিকার পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। আর যদি তৃতীয় বিকল্প নির্বাচন করা হয় তাহলে কোনও বিবরণ চাওয়া হবে না। কিন্তু সেটি বাধ্যতামূলক নয়। এমনকি সেই বিকল্প নির্বাচন করলে কী হবে তাও বলা হয়নি।
আরও পড়ুন: ফের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান, পাল্টা হামলা মার্কিন বাহিনীর
তবে এক্ষেত্রে আরও উল্লেখ্য, যে সমস্ত রাজ্যে এসআইআর হয়েছে তাদের ক্ষেত্রেই অনলাইন পোর্টালে এই অপশনটি যুক্ত করা হয়েছে। যদিও বিহার থেকে এই প্রক্রিয়া বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফর্ম ৬-এ কোনওরকম পরিবর্তন আনার আগে আইন মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি দরকার। নির্বাচন কমিশনের এই ক্ষমতা নেই।










