মহিলারা পায়ের আঙুলে কেন পরেন চুটকি? জানুন আসল কারণ

Published:

Toe Rings In India

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ঠাকুমা দিদাদের আমল থেকেই অনেক মহিলাই পায়ের আঙুলে আংটি (Toe Rings In India) পরে থাকেন। এই আংটিগুলোকে সাধারণ ভাবে চুটকি বলা হয়। যদিও বর্তমানে মহিলাদের ফ্যাশন সেন্স অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু মাঝে মধ্যে আজও দেখা যায় এখনও বেশ কয়েকজন এই ধরনের পায়ের আংটি পড়ে থাকে। তবে এই আংটি যে শুধু যে ফ্যাশন বা সাজসজ্জার অংশ তা কিন্তু নয়, এর নেপথ্যে লুকিয়ে আছে এক বৈজ্ঞানিক সত্য (Unknown Facts)। আর তার আসল কারণ শুনলে আপনিও চমকে যাবেন।

পায়ের আংটি পরা নিয়ে রয়েছে নানা রহস্য

মহিলাদের সাজের অংশ হিসেবে পোশাক যেমন বেশ গুরুত্বপূর্ণ ঠিক তেমনই গয়নাতেও রয়েছে নানা বাহার। কিন্তু কিছু গয়না পরার পিছনেও থাকে আবার নানা অজানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তার মধ্যে একটি হল পায়ের আংটি। এই আংটিকে চলতি ভাষায় কেউ চুটকি বলে বা কেউ হয়ত আঙট বলে। বলা হয় ভারতের বিভিন্ন জনজাতির মহিলাদের এই চুটকি পরার পেছনে বিভিন্ন কারণ ও প্রথা রয়েছে। চলুন আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

পায়ের আঙুলে কেন আঙট পরেন মহিলারা?

অনেক জনজাতি মহিলাদের বিশ্বাস যে পায়ের আঙুলে আংটি পরলে তা অশুভ শক্তির হাত থেকে রক্ষা করবে। অনেকে আবার চুটকিতে নানা পাথর পরে থাকেন। এই পাথর শরীরের রোগ-ভোগ থেকে রক্ষা করবে বলে অনেকের বিশ্বাস। তবে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়, পায়ের দ্বিতীয় আঙুলের মধ্যে থাকা একটি স্নায়ু সরাসরি জরায়ুর সঙ্গে যুক্ত। তাই সেই আঙুলে যদি সামান্য চাপ দেওয়া হয়, তবে মহিলাদের ঋতুচক্রে নাকি কোনও সমস্যা হয় না। অর্থাৎ জরায়ু সুস্থ থাকে। তবে শাস্ত্র মতে বিবাহিত মহিলারা পায়ের দ্বিতীয় আঙুলে এই আংটি পরতে পারবে কিন্তু অবিবাহিতরা পায়ের তৃতীয় আঙুলে এই আংটি পরে থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: একটি কিডনি দিয়েই জীবন চালান এই গ্রামের বাসিন্দারা, কারণ জানলে চমকে উঠবেন আপনিও

পায়ের আঙুলে পরার আংটি সাধারণত সোনা দিয়ে তৈরি হয় না। কারণ হিন্দুধর্মে সোনাকে মা লক্ষ্মী দেবীর ধাতু বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই কোমরের নিচে সোনা পরার চল নেই। সেই কারণে রুপো দিয়ে তৈরি করা হয় পায়ের আংটিগুলো। বিশ্বাস করা হয় রুপো হল এমন এক ধরনের ধাতু যা মানসিক শান্তি ফিরিয়ে আনে এবং নেতিবাচক শক্তি শরীর থেকে দূর করে। তাই আজও মহিলারা পায়ের আঙুলে রুপোর আংটি পরে থাকেন।

google button