“বিনা কারণে ১৮ দিন জেল খেটেছি আমি” মমতাবালা ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শান্তনু

Published:

Shantanu Thakur

সৌভিক মুখার্জী, ঠাকুরনগর: ‘রাজনীতির আঁতুড়ঘর’ বলা চলে ঠাকুরনগর মতুয়াগড়কে। একদিকে তৃণমূল রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, অন্যদিকে বর্তমান বিজেপির সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর (Shantanu Thakur)। সঙ্গে বিজেপির বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর এবং সোমা ঠাকুর তো রয়েছেনই। আর অতীতে মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর এবং কপিলকৃষ্ণ ঠাকুর তো ছিলেনই। তবে ঠাকুরবাড়ির অন্দরে রাজনীতি নিয়ে কোন্দল নতুন ঘটনা নয়। এবার নিজের কাকিমা তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের।

মমতাবালা ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শান্তনু ঠাকুর

গতকাল মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে মতুয়াদের গোঁসাই সম্মিলনীতে অংশগ্রহণ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই মতুয়াদের জন্য একাধিক বক্তব্য রাখেন তিনি। এমনকি শান্তনু ঠাকুরের ঘরে মধ্যাহ্নভোজন সারেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী সেখান থেকে বেরোনোর পর মিডিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে মমতাবালা ঠাকুরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। বিনা কারণে ১৮ দিন জেল খেটেছেন বলেও দাবি কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রীর।

শান্তনু বলেন, “মমতাবালা ঠাকুর আমার নামে কেস দিয়েছে। প্রায় ২৩টা কেস আছে। এগুলো কেন করেছেন উনি? প্রথম কথা ঠাকুরবাড়িতে বিভাজন আছে। ঠাকুরবাড়ির ভিতরে গন্ডগোল পাকিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে ঠাকুরবাড়িতে আজকে আমার প্রায় ৩০-৩৫টা কেস আছে। কেন কেস আছে? এদের কারণেই তো কেস আছে। মমতাবালা ঠাকুর আমার নামে কেস দিয়েছে প্রায় ২৩টা। এগুলো কেন করেছে? এদের প্ররোচনায় পড়েই করেছে।”

আরও পড়ুন: কয়েক মাসের মধ্যেই জেল অভিজিৎ, সৌরভদের! মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির

বিজেপি সাংসদের আরপ বক্তব্য, “ঠাকুরবাড়িকে ভাগ করা, ঠাকুরবাড়ির বিভাজন, আমাকে জেল খাটিয়েছে পর্যন্ত। ১৮ দিন জেল খেটেছি আমি। বিনা কারণে। স্বাভাবিকভাবে তো বলবই। এ কথা তো আসবেই।” পাশাপাশি বারুণী মেলার প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য নিয়ে শান্তনু বলেন, বারুণী মেলাতে বিভাজন তো দূরের কথা। বিভাজন করতেই দেব না। উপরন্তু সরকারি আর্থিক সহায়তা করে বারণী মেলাকে যাতে আরও জাতীয় স্তরে বারুণী মেলাকে নিয়ে যাওয়া যায়, তার ব্যবস্থা উনি করবেন।”

google button