সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মোটা টাকার বিনিময়ে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রিসহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল আমলের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)। রাজ্যে পালাবদলের পর দুর্নীতির খাতায় নাম উঠতেই গ্রেফতারির আশঙ্কা করেছিলেন মন্ত্রী। চতুর্থ দিন ইডির দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। তবে সেখান থেকে বেরোনো মাত্রই তাঁকে গ্রেফতার করে লালবাজার। তবে এবার সুপ্রিম কোর্টে বিরাট ধাক্কা খেলেন মমতা আমলের এই মন্ত্রী।
সুপ্রিম কোর্টে ঝটকা ইন্দ্রনীল সেনের
এদিন আদালত থেকে ইন্দ্রনীল সেনের মামলা প্রত্যাহার করে দিয়েছেন তাঁর আইনজীবী। গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কায় আগেই জামিনের আবেদন করেছিলেন ইন্দ্রনীল। তবে যেহেতু তিনি ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন, তাই তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের প্রাসঙ্গিকতা নেই, এমনটা দাবি করেই মামলা তুলে নিয়েছেন আইনজীবী। এমনকি বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং প্রসন্ন ভি ভারালের বেঞ্চে রেগুলার জামিনের আবেদন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রীকে।
গ্রেফতারির আশঙ্কা আগে থেকেই করেছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। সেই কারণেই আগাম জামিনের আবেদন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তর বেঞ্চ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কারণে সেদিন সেই মামলার শুনানি হয়নি। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। তবে সেদিন ইডির দফতরে হাজিরা দিতে গিয়ে গ্রেফতার হন মন্ত্রী।
আরও পড়ুন: শনিবার হাওড়া ডিভিশনের ১৪টি লোকাল ট্রেন বাতিল, তালিকা দিল পূর্ব রেল
এদিকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং প্রসন্ন ভি ভারালের বেঞ্চে এই মামলা শুনানির জন্য ওঠে। তবে যেহেতু তিনি ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন, তাই আগাম জামিনের আবেদন আইনত অপ্রাসঙ্গিক। সেই কারণেই তা প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। এমনকি শীর্ষ আদালতের তরফ থেকে বলা হয়, “রেগুলার জামিনের আবেদন করুন। আমরা কনসিডার করব। হাইকোর্টকে বলব যাতে এক্সপিডাইট করে। এই অবস্থায় আমরা হস্তক্ষেপ করতে চাই না। আমরা কিছু বললে তদন্তে তার প্রভাব পড়বে।”










