দুঃসময়ে মমতার তৃণমূলের পাশে দাঁড়াল ‘ইউনাইটেড অপোজিশন’

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ছাব্বিশের নির্বাচনটাই শেষ কথা বলে দিয়েছে। ভরাডুবির পর একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গ ছেড়েছেন বহু পরিচিত মুখ। আগেই বিদ্রোহী দলে নাম লিখিয়েছিলেন 20 জনের বেশি সাংসদ। পরে তারা ঘুর পথে অস্তিত্বহীন দল NCPI এ ঢুকে বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। এদিকে বিধানসভায় দু ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। ভারী অংশটা গেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। বাকি গুটি কয়েক পড়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে এবার মমতার তৃণমূলের পাশে দাঁড়াল বিরোধী জোট।

মমতার তৃণমূলের পাশে ইউনাইটেড অপোজিশন

রবিবার, তৃণমূল ছেড়ে NCPI তে যাওয়া সাংসদদের সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কেন্দ্রের সাংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। আর তা নিয়েই প্রতিবাদ জানায় তৃণমূল কংগ্রেস। ওয়াকআউট করেন মহুয়া মৈত্ররা। আর সেখানেই মমতা তৃণমূলের পাশে দাঁড়ায় বিরোধী জোট। এদিন সর্বদলীয় বৈঠকে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে অস্বীকৃত বা অস্তিত্বহীন দল NCPI সাংসদদের কেন ডাকা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল সহ অন্যান্য বিরোধীরা।

এদিন ওয়াকাআউটে তৃণমূলের হাত ধরেছিল কংগ্রেসও। এছাড়া অন্যান্য কয়েকজন বিরোধী পক্ষের সাংসদও তৃণমূলের পথে পা বাড়িয়েছিল। এক কথায়, কঠিন সময়ে বিরোধী জোটের সমর্থন পেল তৃণমূল কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ লিখেছেন, সর্বদলীয় বৈঠক থেকে সমস্ত বিরোধী দল কয়েক মিনিটের জন্য ওয়াকআউট করেছিল। মোদি সরকার NCPI কে আমন্ত্রণ জানানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ। যদিও স্পিকারের কাছে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও ঝুলে রয়েছে।

অবশ্যই পড়ুন: মেসিদের বিশ্বকাপ ফাইনালের দিনই অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিশেষ উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

এদিন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশের ওই পোস্ট শেয়ার করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। রাহুল গান্ধীর দলের নেতার পোস্ট শেয়ার করার পাশাপাশি তার ক্যাপশনে তৃণমূল সাংসদ লিখেছিলেন, ‘ইউনাইটেড অপজিশন।’ সব মিলিয়ে বলাই যায়, রাজ্যস্তরে তৃণমূল দু খন্ড হয়ে গেলেও লোকসভায় বিরোধীদের সমর্থন পাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।