বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শুধু তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) নয়, নিজেদের দলের কর্মীরা তোলাবাজি করলেও যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয় সেটা একেবারে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল রাজ্য বিজেপি (West Bengal BJP)। হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল আগেই। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পালেরা আগেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, তোলাবাজি করলে রেহাই নেই! এবার সেই মতোই পদক্ষেপ করল ভারতীয় জনতা পার্টি। বারবার তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে এমন 22 জন দলীয় কর্মীকে সাসপেন্ড করল বিজেপি।
22 জন কর্মীকে সাসপেন্ড করে কথার দাম রাখল বিজেপি
সম্প্রতি নিউটাউনের অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের তোলাবাজি সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি একেবারে স্পষ্ট করে জানিয়ে, দলের যে সব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাঁরা নিজেদের শুধরে নেবেন। অন্যথায় দল শুধরে দেবে। সেই হুঁশিয়ারির পরপরই বিজেপির অন্তত আড়াইশো জন কর্মীকে শোকজ করা হয়। তাঁদের মধ্যে 102 জনের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।
সূত্রের খবর, ভারতীয় জনতা পার্টি কঠিন সিদ্ধান্তের পরই 80 জন দলীয় কর্মী সদুত্তর দিতে পারায় তাঁদের শোকজ থেকে মুক্তি দেওয়া হলেও 22 জন কর্মীকে সাসপেন্ড করে দিয়েছে বিজেপি। তবে মনে করা হচ্ছে, যাঁরা বাকি থেকে গেলেন সেই 148 জনের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁদেরকেও সাসপেন্ড করে দিতে পারে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি আগামীতেও যদি এই ধরনের ভুল বিজেপি কর্মীরা করে থাকেন সেক্ষেত্রেও একই পদক্ষেপ নেবে রাজ্য বিজেপি।
অবশ্যই পড়ুন: বাতিল কাগজের মুদ্রা! কবে বাজারে আসছে প্লাস্টিকের নোট? জানালেন RBI-র গভর্নর
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ নিজেও দলের একাংশের নেতা-কর্মীকে নিশানা করেছিলেন। বলেছিলেন, “আমাদের বহু নেতা এখন মধুতে আসক্ত।” মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল, এত তাড়াতাড়ি রাজ্য থেকে তোলাবাজি সংস্কৃতি উঠে যাবে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। তবে যেসব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাঁদের উপর নজর রেখেছে দল।










