বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে (Durand Cup Final) ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হবে মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant)। আর সেই মূল ম্যাচের আগেই ভোগান্তি বাগান শিবিরে। এর আগে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল খেলতে মেঘালয়ে উড়ে যেতে হয়েছিল সবুজ মেরুনকে। শিলংয়ের জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে নর্থইস্টকে হারিয়েছিল বাগান সেনা। শুক্রবার সেখান থেকে বিমানে কলকাতায় ফেরেন মোহনবাগান ফুটবলারেরা। কাজেই ফাইনালের আগে অনুশীলনের তেমন একটা সুযোগই পাচ্ছেন না শুভাশিস বসুরা।
আদৌ ইস্টবেঙ্গলকে হারাতে পারবে মোহনবাগান?
নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল জিতে শিলং থেকে বিমানে করে কয়েক দফায় কলকাতায় ফিরেছেন মোহনবাগানের ফুটবলারেরা। শিলং থেকে কলকাতাতে ফিরতেই 24 ঘন্টা কেটে গিয়েছে বাগান প্লেয়ারদের। তাও আবার দফায় দফায়। কয়েকজন মোহনবাগান প্লেয়ার এবং কোচ সোজা শিলং থেকে বিমানে কলকাতায় ফিরেছিলেন। এদিকে সাহাল আব্দুল সামাদ, শুভাশিস বসুরা কয়েকজন সড়কপথে চার ঘন্টা যাত্রা করে গুয়াহাটিতে পৌঁছে সেখান থেকে বিমানে কলকাতায় আসেন।
জানা গিয়ে, শিলং থেকে কলকাতায় বিমানে আসার জন্য সকলের টিকিটের ব্যবস্থা করা যায়নি। মূলত সে কারণেই কিছুটা সড়ক পথে এসে তারপর বিমানে উঠতে হয়েছে প্লেয়ারদের। যাতে অনেকটাই সময় নষ্ট হয়েছে। এমতাবস্থায়, রবিবার ফাইনাল ম্যাচের আগে অনুশীলনের জন্য তুলনামূলকভাবে হাতে অনেকটাই কম সময় পেয়েছে মোহনবাগান ফুটবলারেরা। আর এই ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ বাগানের নতুন কোচও।
আরও পড়ুন: মাঠের মধ্যেই প্লেয়ারকে সপাটে চড়, শাস্তি পেলেন লিওনেল মেসি
মোহনবাগান ম্যানেজমেন্ট সূত্রে খবর, শিলং থেকে খেলে আসার পর আজ অর্থাৎ শনিবার বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে রিহ্যাব করাবেন খোদ প্রধান কোচ। এছাড়াও কয়েকজন ফুটবলারের ফিটনেস পরীক্ষা করে দেখা হবে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, ইস্টবেঙ্গলের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ফাইনাল খেলতে নামার আগে একেবারেই সেভাবে অনুশীলন করার সুযোগ পাচ্ছেন না শুভাশিস বসুরা। সেক্ষেত্রে চিন্তা থেকে যায় আদৌ আগামীকাল ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ঠিকঠাক ভাবে লড়তে পারবে তো বাগান! উত্তর দেবে সময়।










