বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে (West Bengal) পালাবদলের পর শুরু হয়েছে ডিম থেরাপির সংস্কৃতি! আর এই ডিম হামলার সবচেয়ে বেশি শিকার তৃণমূলের (Trinamool Congress) নেতারা। ঘাসফুল শিবিরের নেতা, সাংসদদের দেখলেই ডিম ছুড়ে মারছেন উত্তেজিত জনতা! এবার সেই তালিকায় নাম জড়াতে পারে এমন আশঙ্কায় নিজের কাছে লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র বা রিভলবার রাখার কথা জানালেন কালিঘাট তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদ। তৃণমূলের সাংসদ হওয়ার সাথে সাথে তাঁর আরও একটা বড় পরিচয় রয়েছে। তিনি ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের (Team India) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
ডিম থেরাপির হাত থেকে বাঁচতে নিজের কাছে অস্ত্র রাখছেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার!
ছাব্বিশের নির্বাচনের পরই পাল্টে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অবস্থা। একে একে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে নানান শিবিরে যোগদান করেছেন অনেকে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে নতুন তৃণমূল। তাঁরা অবশ্য নিজেদেরকেই আসল তৃণমূল হিসেবে দাবি করছেন। এদিকে 20 জন সাংসদ আবার বিদ্রোহী দল ঘুরে NCPI তে যোগ দিয়ে সরাসরি NDA জোটকে সমর্থন করছেন।
এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের পরপরই রাজ্যের নানান প্রান্তে ডিম আঁচড়ে পড়েছে তৃণমূল নেতাদের গায়ে। প্রকাশ্য রাস্তায় হোক কিংবা থানার সামনে, উত্তেজিত জনতার হাতে ডিম হামলার শিকার এখনও হতে হচ্ছে তৃণমূল নেতাদের। সেই ছবিটা হয়তো আর বদলাবে না! এমতাবস্থায়, ডিম হামলার আশঙ্কায় মুখ খুললেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন সদস্য তথা তৃণমূলের সাংসদ কীর্তি আজাদ।
আরও পড়ুন: ফের পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত, এবার মাঠে নামছেন যুবরাজ সিং’রা
সোমবার, নিজের সাংসদীয় এলাকায় সাংবাদিক বৈঠক করে কীর্তি আজাদ বলেন, “স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। আর এখন লোককে ডিম মারছে। আমরাও নিজেদের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। আমাদেরও আত্মরক্ষার অধিকার আছে।” এদিন, 1983 সালের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য কীর্তি আজাদ এও বলেন, “আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারত মাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি।”










