একই পরিবারে দুই মহিলা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের যোগ্য হলে কে পাবে ৩০০০ টাকা? জানুন নিয়ম

Published:

Annapurna Bhandar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ইতিমধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের (Annapurna Bhandar) ৩০০০ টাকা করে পেতে শুরু করেছেন রাজ্যের মহিলারা। এখনও পর্যন্ত যারা পাননি তারা জুলাই মাসের ১ তারিখেই পাবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আনুমানিক ১ কোটির বেশি মহিলার তথ্য অনলাইন পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে বলেই খবর সূত্রের। যে সকল মহিলারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন তাদের মধ্য থেকেই যাচা-বাছাই করে দেওয়া হচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। তবে এক্ষেত্রে একটি প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, একই পরিবারে যদি দু’জন মহিলা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য যোগ্য হন, তাহলে কি দু’জনই পাবেন, নাকি একজন পাবেন ৩০০০ টাকা?

কী বলছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নিয়ম?

১ জুন থেকে অফলাইন এবং অনলাইনে শুরু হয়েছে ফর্ম পূরণের কাজ। যদিও অফলাইনে ২৭ মে থেকে শুরু হয়েছিল ফর্ম পূরণ। আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত ফর্ম ফিলাপ চলবে বলেই জানানো হয়েছিল রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। তবে ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে অনেক মহিলার মধ্যে সংশয় ছিল। কিন্তু প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকার পর সেই সংশয় অনেকটাই দূর হয়েছে রাজ্যের মহিলাদের। কিন্তু তাও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, একই পরিবারে একাধিক যোগ্য মহিলা আর্থিক সহায়তার জন্য কি আবেদন করতে পারবেন? প্রত্যেকে কি পাবেন ৩০০০ টাকা করে? উত্তর দিল রাজ্য সরকার।

আসলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন করার জন্য নির্দিষ্ট মানদন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। নিয়ম অনুযায়ী, যদি একই পরিবারের একের বেশি সদস্য অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য যোগ্য হয়ে থাকেন তাহলে নির্দ্বিধায় তারা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন খারিজ হওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু হ্যাঁ, সেই মহিলাকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, এবং বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। সেক্ষেত্রে একই পরিবারের মেয়ে, বৌমা কিংবা শাশুড়ি আবেদন জানাতে পারবেন। এমনকি একই ছাদের তলায় বা একই সঙ্গে রান্না করে খেলেও কোনওরকম সমস্যা নেই। যোগ্য হলেই মিলবে ৩ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন: জয়জয়কার ভারতের, বিশ্বের সেরা ১০ স্কুলের দৌড়ে দেশের ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

কিন্তু আবার নিয়ম অনুযায়ী, যদি একই বাড়িতে পরিবার আলাদা হয়, সেক্ষেত্রে আলাদাভাবে দু’জনকে আবেদন করতে হবে, এবং দু’জনকে আলাদা আলাদা পরিবারের প্রধান বানাতে হবে। কিন্তু যারা এখনও পর্যন্ত আবেদন করতে পারেননি, তারা সরাসরি রাজ্য সরকারের সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালে গিয়ে আবেদন সেরে নিতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আরও উল্লেখ না করলেই নয়, ভাতার টাকা অ্যাকাউন্টে পেতে গেলে অবশ্যই ডিবিটি লিংক থাকা বাধ্যতামূলক।