বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলার থেকে উদ্ধার ৯ মৎস্যজীবীর দেহ, নিখোঁজ আরও ৫

Published:

Trawler Accident

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কাকদ্বীপের কাছে উদ্ধার হল বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলার ‘এফবি মা কালী’ (Trawler Accident)। তবে সেই ট্রলার থেকেই ৯ জন মৎস্যজীবীর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। গতকাল দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোবর্ধনপুর থানার পুলিশ, ভারতীয় উপকূল রক্ষা বাহিনী এবং বন দফতর রক্তচড়া এলাকার কাছে ডুবে যাওয়া ওই ট্রলার সনাক্ত করে। আর সেখান থেকেই ন’জনের দেহ মিলেছে। যদিও ট্রলারে আরও ৬ জন মৎস্যজীবী ছিলেন বলে খবর। কিন্তু তাদের কোনও খোঁজ মেলেনি।

বঙ্গোপসাগরে উদ্ধার ডুবে যাওয়া ট্রলার

সূত্রের খবর, জুলাইয়ের শুরুতে পূর্ব মেদিনীপুরের শংকরপুর মৎস্য বন্দর থেকে ১৫ জন মৎস্যজীবী ওই ট্রলারটি নিয়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে বেরিয়েছিল। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ট্রলারটি আরও ফিরে আসেনি। যার ফলে নিখোঁজ হয়ে যায় মৎস্যজীবীরা। কিছুতেই ট্রলারটির সন্ধান মিল ছিল না। ওই ট্রলারটিতে মোট ১৫ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। কিন্তু গতকাল ট্রলারটির হদিশ মিলেও সেখানে ৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। আর বাকি ৬ জন এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ। তাদের খোঁজে বন দফতর, পুলিশ এবং উপকূল রক্ষা বাহিনী মিলিতভাবে সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চালাবে বলে খবর। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ওই উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তারপর পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফ থেকে। তবে মৃতদেহ উদ্ধার নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে, এবং পরিবারগুলির মধ্যে যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরও পড়ুন: “অযোগ্য হলেই…” অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ভেরিফিকেশন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, এই ট্রলার ডুবি নিয়ে শংকরপুর ফিশারম্যান এন্ড ফিশ ট্রলার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক স্বদেশ নায়ক জানিয়েছিলেন, তারা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তারপরেই জোরকদমে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। সেই সূত্র ধরেই কাকদ্বীপের কাছে এই ট্রলারটি উদ্ধার করা হয়, যেখানে ৯ জনের দেহ মিলেছে। নিখোঁজ ওই ১৫ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে ১২ জন বাংলার এবং ৩ জন ওড়িশার এমনটাই খবর।