এক ফোনেই হবে সমস্যার সমাধান! জুলাই থেকে চালু হচ্ছে পুরমন্ত্রীর ‘মুখোমুখি’

Published:

Agnimitra Paul

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতা পরিবর্তন হতে না হতেই বিজেপি সরকার (Government Of West Bengal) একের পর এক জনদরদি উদ্যোগ নিয়েই চলেছে সাধারণ মানুষের জন্য। এমনকি বাজেট পরিবেশনের সময়ও নেওয়া হয়েছিল একাধিক চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত। আর এবার সরাসরি সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধান করতে রাজ্যের পুর দপ্তরের তরফে নেওয়া হতে চলেছে এক নয়া উদ্যোগ। আর সেই কর্মসূচির নাম রাখা হয়েছে ‘মুখোমুখি’ (Mukhomukhi)। জানা গিয়েছে এই কর্মসূচির মাধ্যমে এক ফোনেই মুশকিল আসান করবেন খোদ পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)।

কী বলছেন অগ্নিমিত্রা পাল?

পুর এবং নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, “আগামী ৪ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হচ্ছে ‘মুখোমুখি’। এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রথম দিন কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের অন্তর্গত এলাকা দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে। প্রতি শনিবার বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত KMC এলাকার বাসিন্দাদের জন্য ফোন লাইন খোলা থাকবে। পাশাপাশি কলকাতা ছাড়াও সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুবিধা পাবে রাজ্যের বাকি সমস্ত কর্পোরেশন এলাকা যেমন— আসানসোল, শিলিগুড়ি, হাওড়া, বিধাননগর এবং চন্দননগর। তবে তাদের জন্যও সপ্তাহে আলাদা আলাদা দিন ও সময় নির্ধারণ করা হবে।”

শিলিগুড়ি মিউনিসিপ্যালও জড়িত থাকবে

জানা গিয়েছে, এখনও এই ‘মুখোমুখি’ কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিতভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে খুব শীঘ্রই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে এবিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে। কার্যপদ্ধতি সম্পর্কে পুরমন্ত্রী জানিয়েছেন, “এই প্রোগ্রামে আমি নিজে কলকাতার দপ্তরে উপস্থিত থাকব। এছাড়াও আমার সঙ্গে সমস্ত কর্পোরেশনের দিন সংশ্লিষ্ট কর্পোরেশনের আধিকারিক এবং গোটা ডিপার্টমেন্ট কনফারেন্স রুমে বসবে। দূরত্বের কারণে শুধুমাত্র শিলিগুড়ি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের আধিকারিকরা অনলাইনে আমাদের সঙ্গে যুক্ত হবেন। আশা রাখছি এই কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের একাধিক সমস্যা দূর হবে।”

আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গ, ধসের আশঙ্কা পাহাড়ে

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক পুর আধিকারিক জানিয়েছেন, ফোন আসা মাত্রই সমস্যার কথা লিখে নেওয়া হবে। এবং তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়াও অভিযোগ গ্রহণের ব্যাপারে নিশ্চিত করতে অভিযোগকারীর মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে জানানো হবে যে, তাঁর সমস্যাটি নথিভুক্ত হয়েছে। এছাড়াও সমস্যাটি সম্পূর্ণভাবে মিটে গেলে চূড়ান্ত বার্তা পাঠানো হবে। সবমিলিয়ে জনসাধারণ ও প্রশাসনের মধ্যে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই অভিনব পদক্ষেপ কতটা কার্যকরী হয় এখন সেটাই দেখার।