বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শালবনির জমি দুর্নীতি মামলায় সুপ্রিম কোর্ট হাত তুলে নিতেই CID-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় (Sumit Roy)। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি থেকে তাঁকে আটক করেন গোয়েন্দারা। এবার সেই সুমিতের বিরুদ্ধেই টাকার বিনিময়ে 90 জনকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। সেই মর্মে, সুমিত সহ 3 জনের বিরুদ্ধে গড়বেতা থানায় দায়ের হয়েছে লিখিত অভিযোগ। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, সুমিতের বিরুদ্ধে থানায় FIR দায়ের করা ব্যক্তি একজন তৃণমূল কর্মী।
টাকার বিনিময়ে চাকরি দিতেন সুমিত?
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পরই একে একে আইনের আওতায় এসেছেন জোড়া ফুল শিবিরের একাধিক দাপুটে নেতা! সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ও। জমি দুর্নীতি কান্ডের পর এবার তাঁর বিরুদ্ধে মোটা টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুললেন নিজেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী হিসেবে দাবি করা এক ব্যক্তি।
ওই ব্যক্তির অভিযোগ, অন্তত 90 জনকে টাকার বিনিময়ে চাকরি করিয়ে দিয়েছিলেন সুমিত এবং তাঁর সহযোগীরা। গড়বেতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ওই তৃণমূল কর্মীর দাবি করেছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে একেকটি চাকরির জন্য সাড়ে তিন লাখ টাকা করে রেট ধার্য করা হয়েছিল। পরবর্তীতে চাকরি দেওয়ার জন্য 22 লাখ ও 13 লাখ টাকা করে চাওয়া হয়। নিজেকে বাঁকুড়ার তৃণমূল কর্মী হিসেবে দাবি করা ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, চাকরি পাইয়ে দিতে 90 জনের কাছ থেকে 22 লাখ টাকা করে নিয়েছিলেন সুমিত!
আরও পড়ুন: ফের ত্রাতা হয়ে দাঁড়াল ভারত, পাইপলাইনে করে বাংলাদেশে পাঠাল ৪৭ লক্ষ লিটার ডিজেল
ওই ব্যক্তির এও অভিযোগ, প্রথম দফায় 90 জনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে 22 লাখ টাকা করে নেওয়া হলেও দ্বিতীয় দফায় লেক রোডের একটি ক্যাফেতে চাকরিপ্রার্থীদের সাথে দেখা করেন সুমিত। সেখানেও চাকরি নিয়ে ডিল ফাইনাল হওয়ার পর সুমিতকে নাকি 32 লাখ টাকা দিয়েছিলেন ওই চাকরিপ্রার্থীরা। ব্যক্তির এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও এ নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।










