আরও একটি নতুন এয়ারপোর্ট পাচ্ছে বাংলা, কোথায়? বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhiakri

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্য এবং কেন্দ্রের ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়নের সুবিধা পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গবাসী। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম কোচবিহারে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সেখানে মদনমোহন মন্দিরে পুজোও দেন তিনি। তবে পুজো দিয়ে বেরিয়ে, জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন সংক্রান্ত বক্তব্য রাখতে গিয়ে নতুন একটি এয়ারপোর্ট তৈরির কথা শোনা যায় মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। তিনি জানিয়েছেন, কোচবিহার নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে এবং জেলাশাসক ইতিমধ্যেই সেই পরিকল্পনা বানিয়েছেন। তাহলে কি আরও একটি নতুন এয়ারপোর্ট পাচ্ছে বাংলা?

বাংলায় আরও একটি এয়ারপোর্ট?

বর্তমানে আকাশপথে উত্তরবঙ্গে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাগডোগরা ছাড়া আপাতত অন্য কোনও বিমানবন্দর নেই। চলে হাতেগোনা কয়েকটা ফ্লাইট। কোচবিহারে জমি পড়ে থাকা সত্ত্বেও নেই এয়ারপোর্ট। এদিন এ নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরবঙ্গের এই জেলাতেই নতুন একটি বিমানবন্দর তৈরির ইঙ্গিত দিলেন তিনি। তিনি বলেছেন, “আজকে আমি মদনমোহন মন্দির ঘুরে গেলাম। এটা রিলিজিয়াস ট্যুরিজম হবে। তার জন্য রেল, এয়ারপোর্ট, বাস কানেক্টিভিটি বাড়ানো এবং এসে যে রাত্রিযাপন করবেন, তার জন্য ভালো ভালো গেস্ট হাউস এবং আবাস বাড়াতে হবে।”

মুখ্যমন্ত্রীর আরও সংযোজন, “এই কাজগুলো আমাদের করতে হবে। তাহলে দেখবেন কোচবিহারও তরাই, ডুয়ার্সের মতো ডেস্টিনেশন হয়ে যাবে।” এছাড়া এদিন কোচবিহারের সাধারণ মানুষের মধ্যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের বিস্তার নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনা এখনও পর্যন্ত এই জেলায় ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার মহিলা পেয়েছেন। আরও হয়তো কিছু জনের ডিমান্ড আছে, জেনুইন আছেন। পরপর পেয়ে যাবেন। প্রায় এক-একটা বিধানসভায় ৭০ হাজার করে মহিলা পেয়েছেন। বড় সংখ্যা। তার সঙ্গে পিএম কিষাণ সম্মান নিধি নিয়ে ডিসকাশন হয়েছে। জল জীবন মিশন নিয়ে ডিসকাশন হয়েছে। কৃষক বন্ধু ভেরিফিকেশনও করা হয়েছে।”

আরও পড়ুন: মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে বাকি মামলা প্রত্যাহার, উপনির্বাচনের আগে জেলমুক্তি কংগ্রেস প্রার্থীর?

এছাড়া আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “আয়ুষ্মান ভারত নিয়ে সবচেয়ে বড় জিনিস হচ্ছে, ইতিমধ্যেই এই জেলার প্রায় ২০০০ পেশেন্ট, কাছাকাছি ২০০০ পেশেন্ট, তারা আয়ুষ্মান ভারতের চিকিৎসার সুযোগ পেয়েছেন। এবং বাইরে থাকা প্রায় ১০০ জন মতো, প্রচুর বাইরে থাকে, পরিযায়ী শ্রমিক, কাজকর্ম নেই। তারাও সুযোগ পেয়েছেন। খুব ভালো ডিসকাশন হয়েছে।” কিন্তু কোচবিহারে এয়ারপোর্ট নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর মুখে আজ কিছু বলতে শোনা যায়নি। তবে তাঁর কথা থেকে অনুমান, এ বিষয়ে রাজ্য সরকার খুব তাড়াতাড়িই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে।