বর্তির বিলে তৈরী হবে গ্রিন করিডর, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

Published:

Updated:

সহেলি মিত্র, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বর্তির বিল (Bortir Bill) এখন বিখ্যাত এক ভ্রমণস্থল। প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে যাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় অবস্থিত বেরাবেড়ির এই অঞ্চলে, যেখানে সবুজের সমারোহের মাঝে রয়েছে একাধিক জলাশয়। বোট রাইড ও ফটোজেনিক পরিবেশের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে বর্তির বিল। এবার এই বর্তির বিলকে নিয়ে চলে এল বড় খবর। প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত সেজে উঠতে চলেছে একসময়কার অখ্যাত এই জায়গা।

বর্তির বিল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

সম্প্রতি পাওয়া খবর অনুযায়ী, জল ও বনানীর মেলবন্ধনের কথা মাথায় রেখে বর্তির বিল পেতে চলেছে Aquatic Bio-Diversity Park -এর তকমা। জায়গাটি যাতে বাংলার একটি স্থায়ী পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত হয়, সে জন্যই নেওয়া হচ্ছে এই পদক্ষেপ। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিলকে কেন্দ্র করে গড়ে তোলা হবে গ্রিন করিডর, অর্থাৎ পথের দুই ধারে থাকবে বিভিন্ন গাছ। প্রায় ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পথের আশেপাশে ৩,০০০ গাছ লাগানোর সম্ভাবনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ৫০টি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণের মাধ্যমে কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে, পরে ধাপে ধাপে এগোবে কাজ।

পুরো কাজ শেষ হতে সময় লাগতে পারে তিন থেকে চার বছর। বৃক্ষরোপণ ছাড়াও নতুন বসানো চারা গাছের রক্ষণাবেক্ষণ, ঠিক করে জল দেওয়া, আগাছা সাফ করার মতো কাজ থাকবে। বর্তির বিল শুধু মানুষ নয়, সমগ্র প্রাণী জগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র এই এলাকার আশেপাশেই রয়েছে ১৩৪ প্রজাতির গাছ, শীতকালে পরিযায়ী পাখি আসে। স্থানীয়দের অনেকের রুটিরুজি এই জলাশয়কে কেন্দ্র করে। চাষবাস হোক কিংবা বোটিং, বর্তির বিল বহু স্থানীয় মানুষের বেঁচে থাকার এক আশ্রয়।

আরও পড়ুনঃ শিক্ষককে দাঁড় করিয়ে পড়ুয়াদের ‘বিকশিত ভারত’-র পাঠ নিলেন বিজেপি নেতা, চাঞ্চল্য ভাতারে

কীভাবে যাবেন বর্তির বিল?

কলকাতা থেকে বর্তির বিল যেতে চাইলে মূলত দু’ভাবে আসা যেতে পারে। একটি শিয়ালদা-বনগাঁ লাইনের বারাসত স্টেশন হয়ে, অন্যটি মেন লাইনের বারাকপুর স্টেশন হয়ে।  বারাসত স্টেশন থেকে বর্তির বিল আসতে হলে প্রথমে টোটো করে হেলা বটতলা যেতে হবে। সেখান থেকে অটো ধরে আসতে হবে নীলগঞ্জ মোড়। এই মোড় থেকে টোটো রিজার্ভ করে পৌঁছনো যাবে বর্তির বিল।