সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আপনিও কি এখনও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) পাননি? তাহলে আপনার জন্য রইল বড় খবর। বঞ্চিত আবেদনকারীদের হতাশ না করার জন্য এবার বিরাট পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, ৩০ আগস্টের মধ্যেই প্রত্যেক যোগ্য উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে যাচাই করে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। তবে অনেকের দাবি, আবেদন করা সত্ত্বেও এখনও কানাকড়ির দেখা মেলেনি। তবে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে এবার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ মেনে চলা জরুরী।
টাকা না পেলে কী করবেন?
আসলে যাদের আবেদন রিজেক্ট করে দেওয়া হয়েছিল, তাদের আবেদন পরে পুনরায় আন্ডার এনকোয়ারি পর্যায় রাখা হয়। তবে যদি আপনার স্ট্যাটাস এরকম দেখায়, অবিলম্বে এলাকার বিডিও অফিস, পৌরসভায় লিখিতভাবে অভিযোগ জমা করতে পারেন। তবে হ্যাঁ, লিখিত আবেদনের সঙ্গে অবশ্যই সেল্ফ অ্যাটেস্টেড করে কয়েকটি ডকুমেন্ট জমা দিতে হবে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মের রশিদ, আধার কার্ড ও ভোটার কার্ডের জেরক্স কপি, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রথম পাতার জেরক্স কপি, মোবাইল নম্বর।
তবে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট আধিকারিক কিংবা কাউন্টার থেকে সিল এবং তারিখ সহ একটি রিসিভ কপি নিজের কাছে রেখে দিতে হবে। কারণ যাদের আবেদন রিজেক্ট করা হয়েছিল, পঞ্চায়েত কিংবা পৌরসভার উদ্যোগে বর্তমানে এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া চলছে। এমনকি আগস্ট মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত এই ভেরিফিকেশন চলবে বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আশা করে যাচ্ছে, প্রত্যেকের তথ্য যাচাই করে এই মাসের মধ্যেই দেওয়া হবে সুবিধা।
আরও পড়ুন: “আজ থেকেই ১০০০ টাকা বেড়ে…” এদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিকে গত পরশুদিন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এখন আমরা অনেকের কাছে যে সমস্যার কথা শুনছি তা হল অনেকের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাওয়ার কথা, কিন্তু তারা পাচ্ছেন না। অনেকেই এই সিস্টেমের মধ্যেই ঢুকে রয়েছে। এর আগে সরকারের তোষামোদ করে চলেছে। তবে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, যদি যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও মনে হয় অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত হয়নি, তাহলে আপনারা লিখিতভাবে জানান। অবশ্যই প্রকল্পের সুবিধা মিলবে।”










