বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে কার্যকর হয়ে গিয়েছে গুন্ডা দমন আইন (Anti Social Activities Control Act)। আর সেই আইন কার্যকর হওয়ার দিনই কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই বিশেষ আইনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাতে অবিলম্বে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল CPIM নেতা তথা আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের তরফে। এই আবেদনের ভিত্তিতেই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছিলেন হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপব্রোত চক্রবর্তী। এবার সেই মামলাই খারিজ করে দিল উচ্চ আদালত!
গুন্ডা দমন আইনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিল না হাইকোর্ট
বিধানসভায় পাস হওয়ার আগে দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অব পাবলিক অর্ডার বিল, 2026 এবং দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোস্যাল অ্যাকটিভিজ বিল, 2026 বিল দুটিকে কালা কানুন বলে দাগিয়ে দিয়েছিলেন বামেরা। শুধু তাই নয়, এই দুই বিলের বিরোধিতা করে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন CPIM এর বর্ষিয়ান আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। আর তারপর পরই দেখা গেল রাজ্যের নতুন সরকারের গুন্ডা দমন আইনের বিরুদ্ধে আদালতে জমা পড়ল জনস্বার্থ মামলা।
বাম মনস্ক আইনজীবী সব্যসাচী আদালতে গুন্ডা দমন আইনটিকে দ্রুত স্থগিত করার আবেদন জানালেও এবার সেই আবেদন একেবারে খারিজ করে দিল উচ্চ আদালত। রাজ্যের নতুন আইনের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এই আইন কার্যকর থাকলে সন্দেহের ভিত্তিতে যে কাউকে গ্রেফতার করে নেবে পুলিশ! একই সাথে আইনটির বিরোধিতা করতে গিয়ে একাধিক যুক্তি দিয়েছিলেন আইনজীবী সব্যসাচী। তবে সেইসব যুক্তি ধোপে টিকল না!
অবশ্যই পড়ুন: এখন গ্রেফতার করা যাবে না অভিষেকের PA সুমিতকে, সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত জানাল সুপ্রিম কোর্ট
কয়েকটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, গুন্ডা দমন আইনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবেই খারিজ করেননি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিরা। বরং আইনটির সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের তরফে সেই মামলা পুরোপুরি খারিজ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আদালত। আনুষ্ঠানিকভাবে সেই মামলা খারিজ করে দিয়ে চূড়ান্ত রায় জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্বস্তি অনুভব করলেন সরকার পক্ষে আইনজীবীরা।










