অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স! কাঁটাতার দিতে BSF-কে আরও ১৮৫ একর জমি দিল সরকার

Published:

Cooch Behar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ক্ষমতায় বসেই অনুপ্রবেশ রুখতে দাওয়াই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সীমান্তে কোনও মাছি গলতে পারবে না বলে আগেই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তবে দীর্ঘদিন ধরে মেখলিগঞ্জ ব্লকের সীমান্ত এলাকা কাঁটাতার মুক্ত থাকায় এবার তার জন্যই প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএসএফ ও প্রশাসন। সেই সূত্র ধরেই এবার কোচবিহারে (Cooch Behar) কাঁটাতার বেড়া দেওয়ার জন্য ১৮৫ একর জমি বরাদ্দ করল রাজ্য সরকার, এবং সেই জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

বিএসএফ-র হাতে দেওয়া হল ১৮৫ একর জমি

প্রসঙ্গত, প্রথম ধাপে বিএসএফ-র পক্ষ থেকে মোট ২৪০ একর জমি চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৮৫ একর জমি হস্তান্তর করেছে প্রশাসন। এমনকি নতুন করে আরও ৫৩ একর জমি চাওয়া হয়েছে, এবং তাও খুব শীঘ্রই দেওয়া হবে বলেই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে। এর ফলে কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ এলাকায় আর সীমান্তে কোনও ফাঁকফোকর থাকবে না বলেই মনে করা হচ্ছে, এবং অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হবে।  তবে এই ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে নদীপথ। সেই সমস্ত জায়গায় সীমান্ত সুরক্ষা করতে বিকল্প পরিকল্পনা গ্রহণ করছে বিএসএফ।

এদিকে শুধুমাত্র মেখলিগঞ্জ ব্লকেই বিএসএফ-র পক্ষ থেকে ১৪৮ একর জমি চাওয়া হয়েছিল। এই পাশাপাশি দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের জন্য আরও ৫০ একর জমি চেয়ে পাঠিয়েছিল বিএসএফ। সেই অধিগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে, এবং খুব শীঘ্রই কাঁটাতার দেওয়ার কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও মাথাভভাঙা, তুফানগঞ্জ সহ বেশ কিছু জায়গায় জমি চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা হবে।

আরও পড়ুন: নীল রং, বিশ্ববাংলা লোগো অতীত! বদলে গেল রাজ্যের সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের খাতার চেহারা

এমনকি সবথেকে বড় ব্যাপার, বিএসএফ-র তরফ থেকে চাওয়া জমির মধ্যে ৪০ একর সরকারি জমি রয়েছে। অর্থাৎ সেই জমি হস্তান্তর নিয়ে কোনও রকম সমস্যা নেই। তাছাড়া বেসরকারি মালিকানাধীন জমিগুলির মধ্যে প্রথম ধাপে ৪২ একর আর পরবর্তী ধাপে ১০৩ একর জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। যদিও কোচবিহার সীমান্তে এখনও পর্যন্ত ১০৮ একর জমি কাঁটাতার দেওয়া বাকি রয়েছে। তা খুব শীঘ্রই সম্পন্ন হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।