অনন্যা সরকার, কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে রাজ্যের বিভিন্ন অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের (Grant-in-Aid Employees) জন্য সুখবর। শীঘ্রই বকেয়া মেটাতে চলেছে রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে, পশ্চিমবঙ্গের নব নির্বাচিত সরকার রাজ্যের অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness Allowance) মিটিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছেন পঞ্চায়েত, পৌরসভা, বিধিবদ্ধ পর্ষদ, কর্পোরেশন, সরকারি-পোষিত ও সরকারি-সহায়তা প্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী ও অন্যান্য অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীরা।
গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বকেয়া মেটাতে চলেছে রাজ্য
শুক্রবার রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের কর্মী সংগঠন, কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের জেনারেল সেক্রেটারি মলয় মুখোপাধ্যায় সোশ্যাল জানিয়েছেন যে, গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বকেয়া মেটানোর প্রসঙ্গে তাঁর আজ অর্থ দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবের (Addl. Chief Secretary Finance) সাথে কথা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সরকার বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মেটানোর জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ১৩/০৩/২৬ তারিখে জারি করা ৯৯৮-এফ পি২ (998-F p2) অর্ডার অনুযায়ী শীঘ্রই অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের পাওনা টাকা পরিশোধ করা হবে।
আরও পড়ুন: হিসাব পাঠিয়েও মিলছে না টাকা! বকেয়া ডিএ অ্যাকাউন্টে না ঢোকায় তীব্র অসন্তোষ
প্রসঙ্গত, ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তরের জারি করা ৯৯৮-এফ(পি২) নং স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০০৮ সালের এপ্রিল মাস থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময়কালে গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিয়ারনেস অ্যালোয়েন্স এবং ডিয়ারলেস রিলিফ (DR) প্রদান করা হবে। তবে এরপর অনেকগুলি মাস কেটে গেলেও বকেয়া পাননি ওই কর্মী ও পেনশনভোগীরা। তবে এখন সরকারি আশ্বাস পেয়ে কিছুটা আশার আলো দেখছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: ২ বছর চাকরি করেই এবার কর্মীরা পেতে পারেন প্রোমোশন, নতুন নিয়ম জারি রেলের
জানিয়ে রাখি, গ্রান্ট-ইন-এইড বা অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সরাসরি সরকারি কর্মী নন, তাঁরা সরকার পোষিত বা সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলিতে কাজ করেন। এদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য খরচ সরকারি অনুদান বা আর্থিক সাহায্যের মাধ্যমে মেটানো হয়। এই প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে রয়েছে – সরকার পোষিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত, পৌরসভা, পুরনিগম এবং বিধিবদ্ধ পর্ষদ সহ অন্যান্য অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থা।










