“ভাবছিলাম এনকাউন্টার করে দেবে” জেলমুক্তি হতেই বিস্ফোরক নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

Published:

সহেলি মিত্র, কলকাতা: উপনির্বাচনের আবহে ফের একবার শিরোনামে নন্দীগ্রাম। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান (Milan Pradhan)। অবশেষে জেল থেকে মুক্তি পেলেন তিনি। এরই সঙ্গে তিনি জানালেন, কেন মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরেও তা তুলে নেন তিনি। নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন (Nandigram Bypoll) নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক তোলপাড় চলছে।

অবশেষে জেলমুক্তি হল নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর

জানা গিয়েছে, বুধবার হলদিয়া জেল থেকে বের হন তিনি। জেল থেকে বেরিয়ে মিলনের অভিযোগ, তাঁকে চোখে গামছা বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি, মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য পুলিশ চাপ দিয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি। মিলন প্রধান সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, “চোখে গামছা বেঁধে তুলে নিয়ে যাচ্ছিল, ভাবছিলাম এনকাউন্টার করে দেবে।” ১৯ বছরের পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর মিলনের জামিন নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয়। গ্রেফতারির ১৩ দিন পর অন্তর্বর্তী জামিনে মুক্তি পেলেন তিনি। ২১ অক্টোবর তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

আদালতে মামলা রাজ্যের

এদিকে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছেছে। সুপ্রিম কোর্টে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের আবেদন নিয়ে বাধা তৈরি হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেস দল নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করতে পেরেছে। কলকাতা হাইকোর্ট কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে জামিন মঞ্জুর করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এখন শীর্ষ আদালতে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেছে। রাজ্য সরকার এই বিষয়ে অবিলম্বে শুনানির দাবি জানিয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট শুভেন্দু সরকারের উপর একটি আঘাত হেনেছে।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে হুমায়ুন কবীরের ‘শ্রাদ্ধ’ করল বিজেপি কর্মীরা! মন্ত্রপাঠের পর দেওয়া হল কবর

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত আজ বুধবার মিলন প্রধানের জামিনকে চ্যালেঞ্জ করে করা আবেদনটি শুনতে অস্বীকার করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে বিষয়টি ২০২৬ সালের ৫ই অক্টোবর, সোমবার শোনা হবে। উল্লেখ্য হাইকোর্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রচারের জন্য মিলন প্রধানকে ২০শে অক্টোবর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছিল।

google button