সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আবারও একবার শিরোনামে এশিয়ার সবথেকে ব্যস্ততম হাওড়া রেলস্টেশন (Howrah Railway Station)। আগামী দিনে পুরো ভোল বদলে যেতে চলেছে শতাব্দী প্রাচীন এই রেল স্টেশনের। আসলে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় থাকা হাওড়া জংশনের উন্নয়নে এবার বড় পরিকল্পনা নিয়েছে পূর্ব রেল (Eastern Railways Zone)।
বদলে যাচ্ছে হাওড়া রেলস্টেশন?
রেলের পরিকল্পনায় রয়েছে ২টি নতুন প্ল্যাটফর্ম, ২২ কোচের ট্রেন দাঁড়ানোর উপযোগী প্ল্যাটফর্ম সম্প্রসারণ, ইয়ার্ড রিমডেলিং এবং সার্কুলেটিং এলাকার চারপাশে নতুন মাল্টিমোডাল পরিবহণ ব্যবস্থা। এর পাশাপাশি, বর্তমান স্টেশনের চাপ কমাতে কাছাকাছি একটি অতিরিক্ত টার্মিনাল তৈরির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঐতিহাসিক হাওড়া স্টেশন ভবনের চরিত্র অক্ষুণ্ণ রেখেই এই উন্নয়ন করা হবে।
বড় পরিকল্পনা পূর্ব রেলের
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ৯২.৮৫ কোটি ব্যয়ে হাওড়া ইয়ার্ড রিমডেলিং প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। অর্থাৎ, এটি শুধু স্টেশনের সৌন্দর্যায়ন নয়, বরং যাত্রী পরিষেবা, পরিকাঠামো ও পরিবহণ সক্ষমতা বাড়ানোর একটি বড় পরিকল্পনা। হাওড়া স্টেশন এলাকাকে একটি বিমানবন্দর টার্মিনালের আদলে পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, যাত্রীদের চলাচল সুগম করার জন্য বিজেপি সরকার স্টেশন সংলগ্ন সাবওয়ে এবং ফেরি ঘাট সাবওয়ের আধুনিকীকরণের একটি ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
দুটি সাবওয়ের জন্য আনুমানিক ২৪.৬৯ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য হলো রেল স্টেশন, সাবওয়ে এবং ফেরি ঘাটের মধ্যে যাত্রীদের চলাচল সুগম করা। এই বিষয়ে রাজ্যের নগর উন্নয়ন মন্ত্রী উমেশ রায় বৃহস্পতিবার হাওড়া স্টেশন এলাকার আধুনিকীকরণ নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক করেন। বৈঠকে, মন্ত্রী হাওড়াকে একটি আধুনিক পরিকাঠামো কেন্দ্রে রূপান্তরিত করার জন্য একটি বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন। বৈঠকে কেএমডিএ-র সিইও, হাওড়া পৌর কর্পোরেশনের কমিশনার তেজস্বী রানা, হাওড়া জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, রেল কর্মকর্তা এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক ও পৌর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










