প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বড় সাফল্য পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলা পুলিশের, পাঁশকুড়া থেকে উদ্ধার করা হল ১৩৮টি সিল করা প্যাকেট, আর তা খুলতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ সকলের। হাতে নাতে পাকড়াও করা হয়েছে ২ জনকে। জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার, ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে পাঁশকুড়া (Panskura) এই গাড়িটিকে পাকড়াও করা হয়েছিল, এরপরেই চেকিং বা তল্লাশি করতে গিয়ে মেলে নেশাদ্রব্য। পুলিশ ইতিমধ্যেই গাড়ি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে।
সিল প্যাকেটে কী ছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার, গোপন সূত্রে তথ্য পেয়েই পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (SOG) ও পাঁশকুড়া থানার পুলিশ যৌথভাবে একটি ‘কিয়া’ কোম্পানির প্রাইভেট গাড়ি আটক করেছিল। এরপর সন্দেহভাজন গাড়িটিকে আইনিভাবে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। আর তখনই গাড়িটি থেকে ১৩৮টি সিল করা প্যাকেট উদ্ধার করা হয়েছিল। সন্দেহ হতেই পুলিশ একটি প্যাকেট খুলতেই গাঁজা বেরিয়ে আসে। সবমিলিয়ে প্রায় ১৪১.৯০৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার (Panskura Ganja Seizure) করা হয়। এরপরই সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী সমস্ত গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং গ্রেপ্তার করা হয় ২ জনকে।
Yesterday, based on secret source information Special Operation Group (SOG), Purba Medinipur District Police being accompanied by Panskura Police Station @MedinipurSp intercepted a KIA private car and arrested two drug traffickers with huge quantity of Ganja in 138 sealed… pic.twitter.com/VZVHyf5RBV
— West Bengal Police (@WBPolice) August 29, 2026
গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুইজনকে
পুলিশ সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে উদ্ধার করা গাঁজা বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি চারটে মোবাইল ফোনও জমা করা হয়েছে। ধৃত দুই ব্যক্তির নাম কার্তিক কুমার ঘোষ, তাঁর বাড়ি ওড়িশার বালেশ্বর জেলার রায়বনিয়া থানার নারায়ণপুর গ্রামে। এবং অপরজন হলেন শেখ সেফাকত আলি, তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনের বাসিন্দা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, গাড়িটি ওড়িশার জলেশ্বরের দিক থেকে কলকাতার উদ্দেশে যাচ্ছিল। সেই সময়ই পুলিশ গাড়িটিকে আটক করে। শুক্রবার জেলা আদালতে তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হলে বিচারক আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: মেটিয়াবুরুজে আচমকা গেস্টহাউস বন্ধের নোটিশ! কারণ কী? পথ অবরোধ ব্যবসায়ীদের
ইতিমধ্যেই পুলিশরা ধৃতদেরকে এই গাজা উদ্ধারের ঘটনায় একের পর এক প্রশ্ন করে চলেছে। কারণ পুলিশের ধারণা এই ঘটনাচক্রে আরো অনেকে জড়িত। তাই সব মিলিয়ে বলা যায় এই গাজা উদ্ধারের ঘটনার তদন্ত জোরকদমে এগোচ্ছে। অন্যদিকে একসঙ্গে ১৩৮ কেজি গাঁজা উদ্ধারের ঘটনাকে বড়সড় সাফল্য হিসেবে দেখছে জেলা পুলিশ ও পাঁশকুড়া থানার আধিকারিকরা।










