বাংলার আরও এক রেল লাইনের অনুমোদন কেন্দ্রের, ভাগ্য বদলাবে বহু জেলার

Published:

Khana-Bowaichandi Rail Line

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় (West Bengal) সরকার বদলের পাশাপাশি রেল (Indian Railways) ব্যবস্থাতেও আসছে বড় বদল। বাংলার রেল ব্যবস্থার খোলনোলচে বদলে দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একের পর এক প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। এবারে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত লাইনে কাজের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত অর্থাৎ অনুমোদন মিলেছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন লাইন? সেক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, আজ কথা হচ্ছে খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেল লাইন (Khana-Bowaichandi Rail Line) নিয়ে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেল লাইনে কাজের অনুমোদন

২০০৯ সালে খানা-বোঁয়াইচণ্ডী রেল লাইনে কাজের ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ২০১০ সালের বাজেটে প্রকল্পের অনুমোদনও মেলে। পিলার অবধি উঠে যায়। তারপর হঠাতই থমকে যায় কাজ। এরপর মাঝখানে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। যাইহোক, দীর্ঘ এবার ১৬ বছর পর অবশেষে খানা-বোঁয়াইচণ্ডী লাইনে কাজ করতে চলেছে রেল।

আরও পড়ুনঃ মৃত ব্যক্তি থেকে আয়ের ঊর্ধ্বসীমা পার, ৭ লক্ষ রেশন কার্ড বাতিল করল সরকার

দীর্ঘ ২৪ কিমির থেকে কিছুটা বেশি রেললাইনের ক্ষেত্রে কাজের অনুমোদন মিলেছে। তবে মোট লাইন ৩১ কিমি লম্বা। যাইহোক, একবার এই রেললাইন তৈরি হয়ে গেলে বেশ কিছু জেলা যেমন পূর্ব বর্ধমান থেকে শুরু করে পশ্চিম বর্ধমান, হুগলী, বীরভূম ও বাঁকুড়ার মানুষজন দারুণভাবে উপকৃত হবেন। প্রায় ৩৯ কোটি টাকা মতো খরচ হবে বলে খবর।

উপকৃত হবেন স্থানীয় বাসিন্দারা

দীর্ঘ ৩১ কিমি দীর্ঘ সেই রেলপথ তৈরিতে প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা খরচ হবে। তবে এখন কিছুটা অংশেই কাজ হবে বলে খবর। একবার এই লাইন তৈরির কাজ শেষ হলে স্থানীয় পর্যটন ব্যবসা থেকে শুরু করে ব্যবসার কাজে গতি আসবে। এই বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, ‘এই লাইন চালু হলে বাঁকুড়া ও হুগলি জেলার সঙ্গে দূরত্ব কমে যাবে। সরাসরি গুসকরা হয়ে বীরভূমের সঙ্গে যোগাযোগও তৈরি হবে। ফলে ব্যবসার সুবিধা হবে। আরামবাগ লাইন চালু হয়ে গেলে তারকেশ্বর, কামারপুকুর, জয়রামবাটি সহ বিভিন্ন তীর্থস্থানে সহজেই যাওয়া যাবে।’