কৃষ্ণনগর, করিমপুর-ইসলামপুর হয়ে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত নতুন রেললাইন, নবান্নে গেল প্রস্তাব

Published:

New Rail Line

সহেলি মিত্র, কলকাতা: রাজ্য সরকারের কাছে একগুচ্ছ দাবি পেশ করলেন সাংসদ আবু তাহের খান। তাঁর সাংসদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের জন্য নতুন রেল লাইন (New Rail Line) স্থাপন থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বদল, বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসার মান উন্নত করা, চাষীদের ফসলের জন্য কোল্ড স্টোরেজ সহ একাধিক দাবি নিয়ে নবান্নকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ১১ দফা উন্নয়নের দাবি সাংসদের

আবু তাহের নিজের ফেসবুক পোস্টে রাজ্য সরকারের কাছে পেশ করা দাবিগুলি তুলে ধরেন। সেখানে লেখেন, ‘ আমার সাংসদ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কে প্রদেয় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রস্তাব।’ দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণনগর–করিমপুর–জলঙ্গি–ডোমকল–ইসলামপুর হয়ে মুর্শিদাবাদ পর্যন্ত নতুন রেললাইন স্থাপন করতে হবে, রাজ্যরুষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে নবাব সিরাজউদ্দৌলার নামে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় গঠন, ডোমকল, লালবাগসহ জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে করিমপুর, জলঙ্গি-সাদিখানদিয়ার, রানীনগর-ইসলামপুর, ভগবানগোলা ব্লক-২, কালিকাপুর, হরিহরপাড়া ব্লক হাসপাতাল এবং আমতলা গ্রামীণ হাসপাতাল-নওদা ব্লক উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও তিনি লিখেছেন, পেঁয়াজ ও অন্যান্য ফসলের চাষিদের স্বার্থে পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ (হিমঘর) নির্মাণ করতে হবে, “জল জীবন মিশন”-এর আওতায় প্রত্যেক বাড়িতে বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, গঙ্গা ও পদ্মা নদীর ভাঙনে ঘরছাড়া মানুষদের পুনর্বাসন, বহরমপুর মেডিকেল কলেজে আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবাসহ পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সুবিধা গড়ে তুলতে হবে, বহরমপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য আবাসন (হোস্টেল) নির্মাণ করতে হবে, ডোমকল ও হরিহরপাড়ার যোগাযোগের সুবিধার্থে পুর ঘাটে পাকা সেতু নির্মাণ করতে হবে, ডোমকল এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বকশীপুর ঘাটে সেতু নির্মাণ করতে হবে, সীমান্তবর্তী কৃষকদের চাষাবাদের ক্ষেত্রে BSF-এর হয়রানি বন্ধ ও কৃষকদের স্বার্থ সুরক্ষিত করতে হবে। যাইহোক, এখন দেখার সরকার এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা।

আরও পড়ুনঃ যেতেই হবে বিদেশে! হাইকোর্টে ধাক্কা খেয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক

কী বলছেন সাধারণ মানুষ?

যদিও সাংসদের লেখা এই চিঠি নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলছেন। কবে এই চিঠি কোন সরকারকে পাঠানো হয়েছিল, দিনক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন আমজনতা। একজন তাঁর পোস্টের কমেন্টে লিখেছেন, ‘এতদিন পর মনে পড়লো? এতদিন শীত ঘুমে ছিলেন বলে মনে হচ্ছে।’ অন্য একজন লেখেন, ‘দুই বছর আগের লেখা মনে হচ্ছে। তারিখ দেওয়া নাই। আর শেষে ‘মাননীয়া মহাশয়া’ সম্বোধন করে লেখা।’ অপর আরেকজন লেখেন, ‘২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে দিলালপুর প্রাইমারি স্কুল মাঠে এসেছিলেন  এবং এম – জে ব্লকের কাপাসডাঙ্গা জিপি র ‘দিলালপুর – দুবড়াখালি’ ঘাটে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন,  মনে আছে নাকি ভুলে গেছেন???’