৩০ দিনের মধ্যেই নিষ্পত্তি, প্রাথমিক শিক্ষকদের ছুটি নিয়ে কড়া নির্দেশ সরকারের

Published:

School Teacher

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের (School Teacher) দীর্ঘদিনের অনুপস্থিতি বা ছুটির আবেদন জমে থাকা নিয়ে এবার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল স্কুল শিক্ষা দফতর। কোনও শিক্ষক দীর্ঘদিনের জন্য ছুটির আবেদন জানিয়ে থাকলে, সেই আবেদন অনির্দিষ্টকাল ধরে ফেলে রাখা যাবে না। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে এবং নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। প্রয়োজনে ছুটি মঞ্জুর করতে হবে। সমস্ত জেলা স্কুল পরিদর্শকদের (DI) এই বিষয়টিকে নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আবেদন ফেলে রাখা যাবে না

স্কুল শিক্ষা দফতরের ২১ সেপ্টেম্বরের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষকদের ক্ষেত্রে অননুমোদিত অনুপস্থিতির আবেদন জমে থাকলে তার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। কোনও শিক্ষক ছুটির আবেদন করেছেন কিন্তু সেটি এখনও মঞ্জুর হয়নি, এমন ঘটনা ঘটে থাকলে, সেটাই খতিয়ে দেখতে হবে। শুধু আবেদন জমা রয়েছে বলে বিষয়টি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের ছুটি নেওয়ার কারণ, আবেদনের বিষয়বস্তু এবং অন্যান্য তথ্য দেখে নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সংশ্লিষ্ট প্রাথমিক শিক্ষক যদি উপযুক্ত কারণে ছুটির আবেদন করে থাকেন, তাহলে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া মেনে ছুটির অনুমোদন দিতে হবে। অন্যদিকে, অনুপস্থিতির ক্ষেত্রে যদি যথাযথ অনুমতি না পাওয়া যায় তাহলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার হবে বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিটি ঘটনা আলাদা করে বিচার বিবেচনা করা হবে। তথ্য ও পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শকদেরই এই দায়িত্ব নিতে হবে।

May be an image of blueprint and text

আরও পড়ুন: ভারতীয় জাহাজের সঙ্গে সংঘর্ষের পরই জারি নোটাম, আরব সাগরে গোলাবর্ষণ করবে পাকিস্তান

৩০ দিনের মধ্যে পাঠাতে হবে রিপোর্ট

স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশ অনুযায়ী, জেলার প্রাথমিক স্কুলগুলিতে এমন কোনও ছুটির আবেদন ফেলে রাখা হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শকদেরকেই কাজটি করতে হবে। সমস্ত রকমের তথ্য যাচাই করে ছুটি মঞ্জুর করা হবে, অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী বিভাগীয় প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। উল্লেখিত কাজগুলি করার পর ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিনের ছুটি বা অনুপস্থিতির আবেদন নিয়ে আর সমস্যায় পড়তে হবে না স্কুল শিক্ষকদের, এমনটাই আশা করা হচ্ছে।