“আশা করি টিকা নিয়েছেন..” মহুয়ার পুলিশকে ‘কামড়’ কাণ্ডে বিস্ফোরক কাঞ্চন গুপ্তা

Published:

Mahua Moitra

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্যু নিয়ে গোটা দেশ জুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে। আর এবার সেই একই ইস্যু নিয়ে দিল্লির রাজপথে নামে ইন্ডিয়া জোট। গতকাল মঙ্গলবার, ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলনে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় বিরোধী সাংসদদের। এমনকি মমতাপন্থী তৃণমূলের সাংসদ মহুয়া মৈত্রকেও (Mahua Moitra) পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে দেখা যায়। শুধু তাই নয় পুলিশের হাতে কামড় দিতে দেখা যায়। আর সেই নিয়ে এবার চরম কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সিনিয়র উপদেষ্টা কাঞ্চন গুপ্তা (Kanchan Gupta On Mahua Moitra)।

পুলিশের হাতে কামড় মহুয়া মৈত্রের

বিভিন্ন রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর আরও যেন ছন্নছাড়া হয়ে গিয়েছিল বিরোধী দলগুলি। তবে সংসদে তারা একজোট ছিল। সেই কারণে বিভিন্ন রাজ্যে SIR প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরই বিরোধীরা একত্রে সুর চড়াতে শুরু করেছিল। এমনকি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তুলে ময়দানে নেমেছে ইন্ডিয়া জোট। গতকালের সেই প্রতিবাদ মিছিলের ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই সবকিছুর মাঝে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের একটি ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে তাঁকে আটক করার সময় একজন মহিলা পুলিশ কর্মকর্তাকে তিনি কামড়াচ্ছেন।

পাল্টা কটাক্ষ কাঞ্চন গুপ্তার

দ্রুত গতিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় মহুয়া মৈত্রের সেই ভিডিও। এদিকে মহুয়া মৈত্রের এই আচরণকে ভালো চোখে নেননি কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের একজন সিনিয়র উপদেষ্টা কাঞ্চন গুপ্তা। উল্টে তিনি এই আচরণকে উন্মাদসুলভ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে মহুয়া মৈত্রের সেই ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন যে, “আমি কোনো “মাননীয়” সাংসদকে এমন অশোভন আচরণ করতে দেখিনি। আশা করি, যারা মহুয়া মৈত্রর এই উন্মাদসুলভ আচরণের শিকার হয়েছেন, তারা ইতিমধ্যেই টিকা নিয়েছেন।” কাঞ্চন গুপ্তার এই পোস্টকে ঘিরে ব্যাপক রসিকতা করেছেন অনেকে।

আরও পড়ুন: দাড়ি কেটে পুলিশের চোখে ধুলো! দুবাই পালানোর আগেই দিল্লি থেকে গ্রেফতার বর্ধমানের ‘ভুয়ো’ চিকিৎসক

এদিকে গতকালের ঘটনায় মহুয়া মৈত্র দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, “দিল্লি পুলিশ আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে, জোর করে বাসে তুলেছেন। ‘জ্ঞানেশ’ মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না। ভারতীয়েরা, এক হও। এখনই রাস্তায় নামার সময়।” অন্যদিকে কমিশন বিরোধী আন্দোলনের আঁচ জিইয়ে রাখতে শীতকালীন অধিবেশন পর্যন্ত টানা সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করল। আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশব্যাপী প্রত্যেক ব্লকে ‘ভোট বাঁচাও দেশ বাঁচাও’ কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি কর্মসূচি শেষে জ্ঞানেশ কুমারের কুশপুতুল দাহ করার নির্দেশও পাওয়া গিয়েছে।

google button