রাজ্যের সব মসিজদ থেকে খোলা হচ্ছে মাইক, কার্যকর হল সরকারি নির্দেশ

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যের দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পুরনো শব্দবিধি ও নির্দেশিকা মেনে বাংলার প্রায় সমস্ত মসজিদের মাইক খুলে ফেলছে মসজিদ (Mosque) কর্তৃপক্ষ। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের তরফে এই নির্দেশিকা বহু আগেই জারি হলেও তৃণমূল সরকারের আমলে তা কার্যকর হয়নি বঙ্গে। তবে বাংলায় ডাবল ইঞ্জিন সরকার (Government Of West Bengal) ক্ষমতায় আসার পরই সেই পুরনো নির্দেশিকা কার্যকর করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারের কঠোর নির্দেশের পরই এবার একে একে বাংলার নানান প্রান্তের মসজিদগুলি থেকে খুলে নেওয়া হল মাইক।

আর মসজিদে বাজানো যাবে না মাইক?

পূর্বতন সরকারগুলির আমলে বাংলায় উঁচু স্বরে মাইক বাজানোর অভিযোগ ছিল বিভিন্ন মসজিদ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। তাতে বারবার বিরক্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু তাতেও কর্ণপাত করেনি তৃণমূল সরকার। তাছাড়াও খোদ সুপ্রিম কোর্ট শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিকদের শান্তিতে বাঁচার অধিকারকে মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেই মতোই, বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই এবার রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পুরনো নির্দেশিকাকে কার্যকর করল।

সম্প্রতি বর্তমান রাজ্য সরকারের তরফে কড়াকড়ির পরই বাংলার বিভিন্ন মসজিদ কর্তৃপক্ষ একেবারে নিজস্ব উদ্যোগে মসজিদগুলি থেকে মাইক সরিয়ে ফেলেছেন। যদিও এখনও রাজ্যের বেশ কিছু মসজিদে মাইক লাগানো রয়েছে। তবে আশা করা যায়, সরকারি নির্দেশিকা মেনে সেই সব মসজিদ কর্তৃপক্ষও শব্দ দূষণ রোধ করতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে মাইক খুলে নেবেন।

অবশ্যই পড়ুন: রাজ্যে গ্রুপ ডি দুর্নীতি মামলায় জামিন পেলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ প্রত্যেকে

প্রসঙ্গত, মসজিদ থেকে মাইক খুলে দেওয়া নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, অনেক আগেই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই নির্দেশিকা জারি হয়েছিল। সরকার কড়াকড়ি করতেই একাধিক মন্দির মসজিদের মাইক নামিয়ে ফেলা হয়েছে। মন্দির হোক বা মসজিদ যে সমস্ত সর্বজনীন স্থানে মাইক বাজে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় সমস্ত জায়গাতেই মাইক নামিয়ে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীর কথায়, “মন্দির বা মসজিদ সাধারণ মানুষের অসুবিধা হয় এমন কাজ করা যাবে না। কোথাও এদের অধিকার দেওয়া হয়নি মাইক লাগাবার।”