জমির খতিয়ান পেতে আর লাগবে না টাকা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Updated:

Suvendu Adhikari

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বড় ঘোষণা শুভেন্দু সরকারের (Suvendu Adhikari)! রাজ্যের নাগরিক পরিষেবা স্বচ্ছ এবং সহজলভ্য রাখতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal)। এখন থেকে সম্পূর্ণ ‘বিনামূল্যে’ অনলাইনে জমির খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্যের ডিজিটালি স্বাক্ষরিত কপি ডাউনলোড করতে পারবেন সাধারণ নাগরিকরা। এর জন্য কোনওরকম আবেদন ফি বা প্রমাণীকরণ ফি লাগবে না। এদিকে এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই খুশির মেজাজে ছড়িয়ে পড়ল জেলায় জেলায়।

বিশেষ উদ্যোগ মুখ্যমন্ত্রীর

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন যে, ‘নাগরিক পরিষেবা যাতে স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত এবং সহজলভ্য হয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি যে, খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্য পাওয়ার জন্য পূর্ববর্তী সরকার যে অ্যাপ্লিকেশন ফি আদায় করত, তা আমরা আনুষ্ঠানিক ভাবে মকুব করেছি। এখন থেকে আপনারা সম্পূর্ণ ‘বিনামূল্যে’ অনলাইনে আপনাদের খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্যের ডিজিটালি স্বাক্ষরিত কপি ডাউনলোড করতে পারবেন। ”

লাগবে না আবেদন ফি

মুখ্যমন্ত্রী পোস্টের মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, “এই ডিজিটাল জমির রেকর্ডগুলি পাওয়ার জন্য কোনও রকম আবেদন ফি বা প্রমাণীকরণ ফি লাগবে না। আর এই প্রশাসনিক পদক্ষেপের ফলে রাজ্য জুড়ে সমস্ত জমির মালিক, বিশেষত কৃষকেরা সরাসরি উপকৃত হবেন। আপনার জমি, আপনার অধিকার, আপনার তথ্য এখন থেকে মাত্র এক ক্লিকের আওতায়।” মূলত পূর্ববর্তী সরকারের আমলে ব্লক অফিস, ভূমি দফতর কিংবা অনলাইন পোর্টালে আবেদন করতে গেলে আবেদন ফি, প্রিন্ট আউট চার্জ কিংবা অন্যান্য খরচ লাগত। তাই নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণকে। এবার সেই সমস্যা মিটবে।

আরও পড়ুন: এবার নবদ্বীপে বড়সড় অভিযান ED-র, নজরে কোন রাঘববোয়াল? উঠে এল নাম

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণ নাগরিকদের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপ আসলে ‘স্বচ্ছতা ও নাগরিক সুবিধার’ এক বিশেষ উদাহরণ। আসলে সরকারের বর্তমান উদ্দেশ্য হল প্রতিটি পরিষেবাকে ডিজিটাল ও সহজলভ্য করা যাতে কাউকে কোনরকম প্রতারণার ফাঁদে পড়তে না হয়। পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে ভূমি সংস্কার ও ডিজিটাইজেশনের প্রক্রিয়া যাতে আরও জোরদার হয় সেইজন্য রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন একাংশ।