রেশন ডিলারদের কমিশনে বড় পরিবর্তন! জারি নতুন রেট

Published:

Ration Dealer Commission HIke

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেশন ব্যবস্থা (Rationing) নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় আপডেট। বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও সরকার যে সিদ্ধান্তটি নিয়েছে সেটি নিয়ে মোটেও খুশি নয় অনেকে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, রেশন ডিলারদের কমিশন বাড়াল (Ration Dealer Commission Hike) কেন্দ্র। যদিও যে পরিমাণে টাকা বেড়েছে তা নিয়ে অখুশি অনেকে। চাপা ক্ষোভ বাড়তে শুরু করেছে সকলের মধ্যে। তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।

রেশন ডিলারদের কমিশন বাড়লেও অখুশি অনেকে

কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রকের তরফে রেশন সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেটা অনুযায়ী ডিলারদের কমিশন ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গসহ অধিকাংশ রাজ্যে কুইন্টাল প্রতি খাদ্যশস্যে ১০ টাকা করে কমিশন বাড়ছে। পাহাড়ি অঞ্চলে এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে বাড়ছে ১৫ টাকা হারে। যদিও ই-পস যন্ত্রের ব্যবহারের জন্য যে অতিরিক্ত কমিশন দেওয়া হত সেটা প্রতি কুইন্টালে ২১ থেকে কমিয়ে ১১ টাকা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ আলিপুরদুয়ারে অন্নপূর্ণার টাকা তুলতে যাওয়া মহিলার অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি! কোথা থেকে এল?

অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশন বুধবার রেশন ডিলারদের কমিশন বাড়ানোর বিষয়ে মন্ত্রিসভার পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে। ফেডারেশন বলেছে, এই পরিবর্তনে মৌলিক পরিচালন ব্যয় মেটানো সম্ভব নয়। সরকার এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। ফেডারেশন আরও বলেছে, ২০২২ সালের এপ্রিলের পর এটিই প্রথম সংশোধন। ফেডারেশনের মতে, মন্ত্রিসভা সাধারণ বিভাগের রাজ্যগুলিতে প্রতি কেজিতে দাম ৯০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১ টাকা করার অনুমোদন দিয়েছে। পাহাড়ি রাজ্যগুলির জন্য এই দাম প্রতি কেজিতে ১.৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১.৯৫ টাকা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ফেডারেশন বলেছে, তারা কোনো আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই এই বিষয়টি জানতে পেরেছে এবং এই বৃদ্ধিকে অপর্যাপ্ত বলে অভিহিত করেছে।

কী বলছে ফেডারেশন?

অল ইন্ডিয়া ফেয়ার প্রাইস শপ ডিলার্স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু বড় মন্তব্য করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “চার বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আসা এই সামান্য বৃদ্ধি সারা দেশের ৫.৫ লক্ষ রেশন ডিলার, তাদের কর্মচারী এবং পরিবারের প্রতি এক নিষ্ঠুর উপহাসের শামিল।” তিনি আরও বলেন, ডিলাররা ক্রমবর্ধমান খরচের সম্মুখীন হচ্ছেন এবং দোকান চালানোর জন্য তাদের আরও বেশি লাভের প্রয়োজন। যাইহোক, এখন দেখার সরকার এই বিষয়ে আগামী দিনে কোনও বিচার বিবেচনা করে কিনা।