আরজি কর কাণ্ডে জামিন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সন্দীপ ঘোষ

Published:

Sandip Ghosh

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যে সরকার বদল হতেই আরজি কর মামলা নিয়ে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হাসপাতালে ডাক্তারি পড়ুয়ার ধর্ষণ-খুন এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির তদন্ত করতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন করে কমিটি গঠন করেছেন। তবে তারই মধ্যে জামিন চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ (Sandip Ghosh)। এমনকি আদালত সিবিআই-কে নোটিশ দিয়ে তাদের অবস্থান জানতে চেয়েছে। আগামী সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে খবর।

সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সন্দীপ ঘোষ

জানিয়ে রাখি, ২০২৪ এর আগস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এমনকি সেই ঘটনায় গোটা দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলন, মিছিলে নামেন আমজনতা। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ঘটনার তদন্তে নামার পর হাসপাতালের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের নাম জড়ায়। এদিকে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি বিগত তিন থেকে চার বছর ধরে হাসপাতালে চলা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির অভিযোগও সামনে আসে। পাশাপাশি চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন জিনিসপত্র কেনার টেন্ডারেও জালিয়াতির ঘটনা সামনে আসে।

সেই সূত্র ধরেই সিবিআই ওই অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে। তবে খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় পরে জামিন পেলেও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে এখনও পর্যন্ত জেলবন্দী তিনি। তবে রাজ্যে সরকারের পালাবদল হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই ঘটনার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই অভয়ার বাবার করা অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ এবং প্রাক্তন সিপিআইএম কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়কে। সেই সূত্রেই এবার জামিনের আবেদন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সন্দীপ ঘোষ।

আরও পড়ুন: সেরা প্রধানমন্ত্রী ও তিন শ্রেষ্ঠ মুখ্যমন্ত্রীর নাম জানালেন অভিজিৎ দীপকে, তালিকায় নেই মমতা

সূত্রের খবর, সন্দীপের আবেদনের ভিত্তিতে নোটিশ জারি করে সিবিআই-র বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। আগামী সপ্তাহে বিচারপতি এম এম সুন্দ্রেশ এবং বিচারপতি পি বি ভারালের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলেই খবর। এমনকি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, আরজি কর হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে এই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধেই।