বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: তৃণমূল সরকারের পতনের পরই রাজ্যে ক্ষমতায় আসতেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বে রাজ্যে কার্যকর হয়েছে গুন্ডা দমন আইনও। এক কথায়, বাংলা যাতে অরাজকতা থেকে মুক্ত হয় সেজন্যই যাবতীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে বর্তমান সরকার। একই সাথে আগামী দিনে বাংলা কীভাবে এগোবে, এ বাংলার বুকে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার (Government Of West Bengal) কোন ধরনের আচরণ বরদাস্ত করবে না সেই সংক্রান্ত একটা ছবি অনেক আগেই পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার নতুন করে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানালেন, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী বাক্য উচ্চারণ করলেই গ্রেফতার করবে পুলিশ।
এক বাক্যেই গ্রেফতার করার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এদিন শহরের এক নামজাদা মিডিয়া হাউজের কনক্লেভে হাজির হয়ে ভবিষ্যতে বাংলা কোন দিকে এগোবে, রাজ্যের শিল্প থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান সহ একাধিক বিষয় নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন, রাজ্যের মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে একগুচ্ছ ঘোষণার পাশাপাশি টুকরে গ্যাং বা দেশবিরোধীদের সতর্ক করেন তিনি। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী একেবারে স্পষ্ট জানান, বাংলার মাটিতে দেশমাতৃকার অপমান সহ্য করবে না ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার।
একই সাথে, এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খুব পরিষ্কারভাবে জানান, যেসব ব্যক্তিরা দেশবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত বা যাঁরা বাংলার মাটিতে থেকে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে অথবা কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদীর মতো স্লোগান তুলবেন তাঁদের গ্রেফতার করবে পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী বললেই গ্রেফতার করব।” এক কথায় বলা যায়, বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে দেশবিরোধী কার্যকলাপ বা স্লোগান দিলেই জায়গা হবে শ্রী ঘরে।
আরও পড়ুন: পার্শ্বশিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধি থেকে টেট সমস্যার সমাধান, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে একগুচ্ছ দাবি
উল্লেখ্য, এর আগে শহর কলকাতায় ককরোচ জনতা পার্টির মিছিলে ঢুকে পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছিল কিছু দুষ্কৃতি। বেশ কয়েকজনকে বিতর্কিত স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছিল সেবার। আর তারপরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, “ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে বা কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদী, এই ধরনের স্লোগান দিলে এমন মার মারুন যাতে হেঁটে বাড়ি ফিরতে না পারে!”










