পার্শ্বশিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধি থেকে টেট সমস্যার সমাধান, শিক্ষামন্ত্রীর কাছে একগুচ্ছ দাবি

Published:

Shikshanuragi Oikya Mancha Education Minister

সহেলি মিত্র, কলকাতা: একগুচ্ছ দাবিতে শিক্ষমন্ত্রীর (Education Minister) দ্বারস্থ হল শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। পার্শ্বশিক্ষকদের ভাতা বৃদ্ধির নোটিশ, টেট সমস্যার সমাধানে পদক্ষেপ এবং মিড ডে মিলের বরাদ্দ অর্থ প্রদানের দাবিটি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছে ঐক্য মঞ্চ। আর এমনটাই জানালেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী।

টেট সহ একগুচ্ছ দাবিতে শিক্ষমন্ত্রীর দ্বারস্থ শিক্ষকরা

টেট জটের সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে নানা ইস্যুতে এর আগেও সরকারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শিক্ষকরা। এদিকে মিড ডে মিল নিয়ে উঠেছে বড় অভিযোগ। মিড ডে মিলে মাথাপিছু খরচ বাড়িয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কিন্তু আগস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে এসেও জুলাই মাসের মিড ডে মিলে টাকায় পায়নি বলে অভিযোগ। এদিকে বর্ষায় আনাজপাতি দাম হু হু করে বাড়ছে। টাকা না এলে জিনিসপত্র কিভাবে কেনা হবে সেই নিয়ে আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে স্কুলগুলি। বারবার অভিযোগ জানিইরো কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

একজন লিখেছেন, ‘স্যার, বুঝতেই পারছেন আমরা কি অবস্থায় আছি পার্শ্বশিক্ষকরা?? এই মাসেও বর্ধিত বেতন পাব বলে মনে হয় না। আমাদের এক লাখ টাকার দরকার নেই, আমাদের ন্যূনতম বেতন কাঠামোটা দিলেই হবে, স্কুলে এসিস্ট্যান্ট টিচারের সাথে পার্শিক্ষকদের ডিউটি ভাগ হয়। তাদের নিজেদের তো লজ্জা নেই আমাদের নিজেদের লজ্জা লাগে। অথচ শিক্ষক দিবসে চাঁদা দেয়ার সময় আমরা প্যারাটিচার সেটার মনে থাকে না। সমান সমান দাও, না হলে নানা ভাবে ইনসাল্ট করে অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচাররা। তবু আমাদের স্কুলে এইচএম আসার পর থেকে অনেকটাই লাঘব হয়েছে। হিংসা তাদের দেখে করা উচিত যাদের কিছু আছে, একজন পার্শ্ব শিক্ষক মাইনে ১৩৫৯৩ টাকা।’ অপর একজন লিখেছেন, ‘মিড ডে মিলের টাকা কবে ঢুকবে।’ অন্য আরেকজন নতুন সরকারের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেছেন, আগের সরকার school তুলে দিতে teacher নিয়োগ করত না আর এই সরকার school থেকে teacher তাড়িয়ে school তুলে দিতে চায়, তাই TET নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কোনো কথা বলছে না।’

কাটবে টেট জট?

এই আগে কিংকর অধিকারী ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘তামিলনাড়ু সরকার যা পারলো পশ্চিমবঙ্গ তা পারবে না কেন? নরমাল সেকশন নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান এবং Non-TET সমস্ত শিক্ষকদের জন্য রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানাক। এই দাবিতে স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন এবং কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশনের কাছে দাবি তুলে ধরা হয়েছে।’

আরও পড়ুনঃ ‘বিজেপির বাবারা মাইনে দেয়না’ ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশি হানায় বিস্ফোরক অভিষেক

এক চিঠিতে জানানো হয়, ‘পশ্চিমবঙ্গের টেট সংক্রান্ত বর্তমান পরিস্থিতিতে তৎকালীন প্রচলিত নিয়ম যোগ্যতা ও বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু বছর আগে নিযুক্ত নন-টেট শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মধ্যে গভীর অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। তামিলনাড়ু বিধানসভার সম্প্রতি সর্বসম্মত প্রস্তাব গ্রহণ করে পূর্বে নিযুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের টেট থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাতেও একই ব্যবস্থা চালু আবেদন জানানো হয়েছে শিক্ষকদের তরফে।’