হবে ৫৮০০ কর্মসংস্থান, নিউটাউনে উদ্বোধন হল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ক্যাম্পাস ‘আনন্দ নিকেতন’

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সরকার গঠন করেই বাংলায় একাধিক বিনিয়োগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিউটাউনে আদানি গ্রুপের ১০০০ বেডের একটি স্পেশালিস্ট হাসপাতাল তৈরি হবে, এ কথা আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। এবার নিউটাউনের সিলিকন ভ্যালিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ক্যাম্পাস ‘আনন্দ নিকেতন’ উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। লারসেন অ্যান্ড টুব্রো এবং এলটিআইমাইন্ডট্রি-র যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্যাম্পাস পশ্চিমবঙ্গের শিল্পখাতে আনতে পারে আমূল বদল।

নিউটাউনে উদ্বোধন হল অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ক্যাম্পাস

এদিন এই মেগা প্রজেক্টের উদ্বোধন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের পাশাপাশি অন্যান্য ব্যক্তি-বর্গরা উপস্থিত ছিলেন। সিলিকন ভ্যালির আনুমানিক ৭ লক্ষ ৭৮ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে তৈরি হয়েছে এই ক্যাম্পাস। এমনকি এখানে একসাথে ৫ হাজার ৮০০ জন কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন বলেই জানানো হয়েছে। সাইবার সিকিউরিটি থেকে শুরু করে ক্লাউড কম্পিউটিং, ক্লাউড ডেটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অত্যাধুনিক চিপ বা অটোমেশনের মতো প্রযুক্তিগত কাজ হবে এই ক্যাম্পাসে। রাজ্যের বেকারত্ব দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে আনন্দ নিকেতন, জানানো হয়েছে এমনটাই।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, “বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ বা পুণের মতো শহরগুলিতে বাংলার যে সমস্ত প্রতিভাবান এবং দক্ষ তরুণ-তরুণী চলে গিয়েছেন, তাঁদের ফের নিজেদের শহর কলকাতায় ফেরার সময় এসেছে। কেন্দ্রীয় ডবল ইঞ্জিন সরকারের সহযোগিতার মাধ্যমেই রাজ্যকে আবার নতুনভাবে সাজানো হবে।” বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই এখন রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির সাথে অংশীদারিত্ব বাড়াতে চায় শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।

আরও পড়ুন: ফ্রিজ অ্যাকাউন্ট খুলতে গিয়ে হাইকোর্টে হতাশ মমতার তৃণমূল

মুখ্যমন্ত্রী জানান, ছোট ব্যবসা বা উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য কেন্দ্রের পিএম মুদ্রা যোজনা, পিএম বিশ্বকর্মার মতো প্রকল্পগুলি রয়েছে। সেগুলি আরও শক্তিশালী হবে। তবে এল অ্যান্ড টি-র মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাকে সব ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা করবে রাজ্য সরকার। এমনকি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যের দরজা খোলা, এমনটাও জানিয়েছেন তিনি। ডবল ইঞ্জিন সরকারের মূল লক্ষ্যই হল দেশের বেকারত্ব দূর করা এবং কর্মসংস্থান ও শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।