সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat Trinamool)। এবার ফ্রিজ হওয়া আরও চারটি অ্যাকাউন্ট খোলার দাবি তাদের। কর্মীদের বেতন দেওয়ার ফান্ড নেই, অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের দাবিতে কিছুদিন আগেই হাইকোর্টে গিয়েছিল মমতাপন্থী শিবির। তবে আজ বাকি চারটি অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে আদালতের তরফ থেকে কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি।
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল
দলের অ্যাকাউন্টে ৪৪০ কোটি টাকা লেনদেনের কোনও হিসাব নেই, এই অভিযোগে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল ইডি। এছাড়া হরিশ মুখার্জির রোডের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের শাখায় তৃণমূলের চারটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সেগুলি ফ্রিজ করেছিল পুলিশ। সেই পদক্ষেপের বিরুদ্ধেই এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট। তাঁদের দলে ২১৫ জন কর্মী কাজ করছেন। কিন্তু বেতন দেওয়ার পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। অবিলম্বে ফ্রিজ হওয়া অ্যাকাউন্টগুলি খোলার দাবি জানিয়েছে কালীঘাট শিবির।
এমনকি তৃণমূলের আরও দাবি, দৈনন্দিন কাজকর্মের জন্য টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক। এর পাশাপাশি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার তদন্তের উপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু আদালত তাদের দাবিতে আজ কর্ণপাত করেনি। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে করা হয় মামলা। তবে এর আগে চারটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় আদালত নির্দেশ দিলেও আজ কোনও রকম হস্তক্ষেপ করেনি।
আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের বক্তব্য জরুরি, সন্দীপ ঘোষের জামিন নিয়ে বড় মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের
বিচারপতি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, এই বিষয়ে রাজ্যকে হলফনামা দিয়ে বক্তব্য জানাতে হবে। এমনকি পাল্টা কালীঘাট তৃণমূলও হলফনামা দেবে বলে জানানো হয়েছে। আদালতে দুই পক্ষের হলফনামা জমা পড়ার পর ওই চারটি ফ্রিজ হওয়া অ্যাকাউন্ট খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকোর্ট। উল্লেখ্য, সেই সময় আদালত বাকি অ্যাকাউন্টগুলি পরিচালনার জন্য একজন স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করেছিল। তাঁর স্বাক্ষরের মাধ্যমেই টাকা তোলা সম্ভব হচ্ছিল। এমনকি সেই মেয়াদ রয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।










