“সুপ্রিম কোর্টের কোনও নোটিশ …”, অভিষেকের পিটিশন নিয়ে নয়া দাবি সুদীপের

Published:

Sudip Bandopadhyay

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে কোনও নোটিশই এখনও পর্যন্ত আসেনি। এমনটাই দাবি এনসিপিআই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Sudip Bandopadhyay)। এমনকি অভিষেকের দেওয়া পিটিশনের জবাব দিতে আরও বেশ কিছুটা সময় নিতে পারেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, রাজ্যের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন সুদীপ।

সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে আসেনি কোনও নোটিশ

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে এখনও কোনও নোটিশ তাঁদের হাতে পৌঁছয়নি। তাঁর কথায়, “সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে তৃণমূল ত্যাগী ২০ জন সাংসদদের মধ্যে কারও কাছে কোনও নোটিশ পাঠানো হয়নি। এই নিয়ে শুধুমাত্র অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। সংসদের একজন ডিরেক্টর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া চিঠিটি তৃণমূল সাংসদদের কাছে পাঠিয়েছেন। আর সেই চিঠির জবাব দিতে তাঁদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে। সেই উত্তর লোকসভার স্পিকারের কাছেই দেওয়া হবে।” যদিও আরও বাড়তি সময় দেওয়ার বিষয়ে কিরেন রিজিজু সুদীপকে আশ্বস্ত করেছেন বলেও জানান।

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, জেনারেল তুষার মেহতার পরামর্শ মেনে লোকসভার স্পিকারের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। সেক্ষেত্রে অভিষেকের পিটিশনের জবাব দিতে যে আরও সময় চাওয়ার দিকেই এগোচ্ছেন এনসিপিআই সাংসদরা, তা বলাবাহুল্য। এমনকি তিনি জানিয়েছেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কপিল সিব্বলের বক্তব্য নিয়ে আদালতেই বিচার হবে। কে, কোন বিষয়ে মন্তব্য করছেন তা এখনই বলতে চাননি সুদীপ।

আরও পড়ুন: রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা অবধি বন্ধ থাকবে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম! বড় সিদ্ধান্ত Meta-র

কিন্তু তিনি প্রশ্ন তোলেন, সুপ্রিম কোর্টের কোনও নোটিশ যদি এখনও না আসে, তাহলে সাংসদদের কাছে সুপ্রিম কোর্টের নোটিশ এসেছে, এমন গুজব কেন রটানো হচ্ছে? এমনকি স্পিকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও নোটিশ আসেনি। শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া চিঠিটি সংসদের একজন ডিরেক্টর তৃণমূল সাংসদদের কাছে পাঠিয়েছেন, আর সেখান থেকেই বক্তব্য জানতে চাওয়া হচ্ছে। এমনকি অভিষেক ও লোকসভার স্পিকারের মধ্যে চিঠির বিলম্বতা নিয়ে কী হয়েছে, তা সুপ্রিম কোর্টেই ঠিক হবে বলে জানান সুদীপ। পাশাপাশি তিনি স্পিকারের পদকেও গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদ হিসেবে আখ্যা দেন।