মহালয়ার আগেই রাস্তার হাল ফেরাতে মরিয়া সরকার, বিশেষ নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhikari

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন, তারপরেই রাজ্য জুড়ে পালিত হতে চলেছে বাঙালির প্রাণের পুজো দুর্গাপুজো (Durga Puja)। কিন্তু তার আগে রাজ্যবাসীর স্বার্থের কথা মাথায় রেখে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে শুভেন্দু সরকার। জানা গিয়েছে, মহালয়ার আগেই রাজ্যের সব রাস্তা মেরামত করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুধু তাই নয়, উৎসবের মরসুমে বেহাল রাস্তাঘাটের (West Bengal Roads) কারণে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো সমস্যায় না পড়েন, সেদিকেও নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

পুজোর আগেই ফিরবে রাস্তার হাল

উৎসবের দিনগুলিতে রাস্তা যাতে সম্পূর্ণ মসৃণ থাকে এবং কোনো গর্ত বা ভাঙ্গা না থাকে, তার জন্য প্রথম থেকেই বদ্ধপরিকর রাজ্য প্রশাসন। তাই রাস্তা মেরামতি নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার নবান্নে কলকাতার বন্দর এলাকার রাস্তার হাল ফেরাতে আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, আর এবার শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে চলতি বছর মহালয়ার আগেই রাজ্যের সমস্ত ধরনের রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তুলতে হবে। ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে জেলায় জেলায় এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে।

নোটিশ পাঠিয়েছে নবান্ন

উল্লেখ্য, বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখলের পর এটাই প্রথম দুর্গোৎসব। তাই স্বাভাবিকভাবেই পুজোর আগে প্রশাসনিক পরিষেবা এবং পরিকাঠামো নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে রাজ্যবাসীর, যা নতুন সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কারণে এবার সবকিছু মাথায় রেখে আগে সড়ক ব্যবস্থা উন্নত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যেহেতু, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়া। তাই ওই দিনের আগেই রাজ্যের সমস্ত ধরনের রাস্তা চলাচলের উপযোগী করে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, কাজ যাতে দ্রুততার সঙ্গে হয় তাই পুরসভা এলাকায় প্রশাসকদের মাধ্যমে এবং গ্রামীণ এলাকায় জেলাশাসক, বিডিও-সহ সরকারি আধিকারিকদের কাজে লাগানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: পড়ুয়া নেই একজনও, তবু চলে মিড ডে মিল! প্রশ্ন করতেই ছুট পুরুলিয়ার স্কুলের শিক্ষকের

ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর পুজোর আগে গোটা রাজ্যের রাস্তা মেরামতির এই বিশেষ কর্মসূচিতে একযোগে নামছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, পূর্ত দফতর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। এবং পুর এলাকার রাস্তা থেকে শুরু করে রাজ্য সড়ক, গ্রামীণ রাস্তা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় কোথায় কী ধরনের মেরামতির প্রয়োজন, সেই সব কিছুর একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। রাজ্যের অধীনস্থ রাস্তার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির রাস্তার দিকেও নজর দিয়েছে নবান্ন। এখন দেখার এই পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়।