প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নবমীর রাতে ঘটে গেল ভয়ংকর বিপদ, ঠাকুর দেখতে গিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দুই নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) গোয়ালপোখর থানা এলাকায়। জানা গিয়েছে, দুই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করেন কয়েকজন যুবক। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় (Minor Girls Assault Case) দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গতকাল বুধবার নবমীর রাতে উত্তর দিনাজপুর জেলার গোয়ালপোখর থানা এলাকার দুই হিন্দু সম্প্রদায়ের নাবালিকা তাদের পূর্বপরিচিত দুই বন্ধুর সঙ্গে ইসলামপুরে ঠাকুর দেখতে বেরিয়েছিল। কিন্তু ফেরার পথে ঘটল বিপত্তি। ভোর রাতে বাড়ি ফেরার পথে চারজন মুসলিম ছেলে মিলে দুই নাবালিকাকে রাস্তার পাশে ক্ষেতের মাঝে নির্জন এলাকায় জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় এবং সেখানে শারীরিক নির্যাতন করে। এদিকে রাতের অন্ধকারে দুই নাবালিকার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই ভয়ংকর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
হাসপাতালে ভর্তি দুই নির্যাতিতা
গণধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশে আসা মাত্রই গোয়ালপোখর থানার আইসি পিনাকী সরকারের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল গিয়ে মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করে। এবং তড়িঘড়ি সঠিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এদিকে মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে অস্থির হয়ে পড়েছে পরিবার। পরে পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হলে হাসপাতালে নির্যাতিতাদের দেখতে যায় পরিবার। শেষ পাওয়া আপডেট অনুযায়ী এই মুহূর্তে সুস্থ আছে নির্যাতিতারা। এদিকে অভিযুক্তদের ধরতে ময়দানে নেমেছেন পুলিশরা। চারজন গ্রেফতার হয়েছে। নাবালিকাদের পরিচয় গোপন রেখে এখনও ঘটনার তল্লাশি চলছে। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, প্রশাসন এবং স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: দশমীর রাতে বিসর্জনকে কেন্দ্র করে অশান্তি আরামবাগে! পরিস্থিতি সামলাতে লাঠিচার্জ পুলিশের
স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সরজিৎ বিশ্বাস জানিয়েছেন, “FIR করা হয়েছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। আর সেই ভিত্তিতেই আজ সকালের মধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।” এদিকে ঘটনার সঙ্গে আর কারা জড়িত, কীভাবে এই ঘটনা ঘটল এবং অভিযুক্তদের ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে বলে আশা রাখছে প্রশাসন।










