সহেলি মিত্র, কলকাতা: ফের একবার সরকারের দ্বারস্থ হল কর্মচারী সমাজ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে WBHS স্কিম কার্যকর করতে একাধিক প্রস্তাব (Cashless Treatment) দেওয়া হল। এমনটাই জানালেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। সেইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে নগদহীন চিকিৎসার সীমা ২ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করায় রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। তবে আরও বেশ কিছু দাবি পেশ করা হয়েছে সরকারের কাছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।
স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে সরকারের দ্বারস্থ সরকারি কর্মীরা
ফেসবুকে একটি বিশেষ পোস্ট করেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি লেখেন, ‘১) সব স্তরের গ্র্যান্ট-ইন-এইড কর্মচারীদের ক্যাশলেস সুবিধাসহ WBHS প্রদান, ২) রোবোটিক সার্জারির মত উন্নততর ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তকরণ এবং ৩) হাসপাতালগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে রোগী ভর্তির সময় অনেক ক্ষেত্রে হাসপাতাল ভর্তি নিতে চায় না। এই সমস্যার সমাধানে হেল্পলাইন এবং অভিযোগ নথিভুক্তকরণ ব্যবস্থার দাবি করা হল।’ সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে নগদহীন চিকিৎসার সীমা ২ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করেছে রাজ্য সরকার। এই বর্ধিত সীমা আজ ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। তবে একইসঙ্গে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার জন্য একাধিক দাবি জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিতে সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ গ্র্যান্ট-ইন-এইড কর্মীদের স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় আনা এবং অবসরের পরও তাঁদের চিকিৎসা সুবিধা চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন।
বড় দাবি সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের
এছাড়াও রোবোটিক সার্জারি-সহ আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিগুলিকে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানানো হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসাথীর অধীনে হাসপাতালে ভর্তি হতে সমস্যা হলে দ্রুত সমাধানের জন্য একটি পৃথক হেল্পলাইন ও অনলাইন অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা চালুর দাবিও জানিয়েছে সংগঠনটি।
সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের মতে, এই পদক্ষেপগুলি কার্যকর হলে কর্মী, পেনশনভোগী এবং তাঁদের পরিবারের জন্য স্বাস্থ্যসাথী আরও শক্তিশালী ও কার্যকর স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থা হয়ে উঠবে।










