সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যেমন কথা তেমন কাজ, পশ্চিমবঙ্গে কাজ শুরু করে দিল সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission)। দুর্গাপুজোর আবহে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal) এই পে কমিশনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে সকলের উদ্দেশ্যে। গত ১৪ অক্টোবর চতুর্থীর দিন এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পায়। কী লেখা আছে এই বিজ্ঞপ্তিতে? আপনিও কি একজন পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মী? তাহলে বিশদে জেনে নেবেন।
বিজ্ঞপ্তি জারি করল সপ্তম বেতন পে কমিশন
বুধবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সপ্তম বেতন কমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দফতরের কাছে কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, পদ ও পরিষেবা সংক্রান্ত তথ্য চাওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই ঘোষণা করেছিলেন যে সপ্তম বেতন পে কমিশন গঠন করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বর্তমান বেতন কাঠামো ও ভাতা পর্যালোচনা করে উপযুক্ত সুপারিশ করা এই কমিশনের কাজ। এদিকে সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের (Employees) পদ, চাকরির ধরন, ক্যাডার, বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ লাখ লাখ ফলোয়ার, ককরোচদের পর নতুন দল ‘মাছি জনতা পার্টি’, কী দাবি তাদের?
বিজ্ঞপ্তিতে নির্দিষ্ট কিছু সংস্থার কর্মচারীদের তথ্যও চাওয়া হয়েছে, যাঁদের বেতন ও ভাতার ব্যয় রাজ্য সরকার বহন করে। প্রতিটি দপ্তরের নোডাল অফিসারকে সপ্তম বেতন কমিশনের নির্ধারিত প্রশ্নমালা পূরণ করে ওয়েবসাইটে মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে লগইন করে তথ্য জমা দিতে হবে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বর্তমান বেতন ও ভাতা কাঠামো পর্যালোচনা করে কমিশন সুপারিশ করবে।
কপাল খুলবে প্রাথমিক শিক্ষকদের?
প্রশ্ন উঠছে, কপাল কি খুলবে প্রাথমিক শিক্ষকদের? পশ্চিমবঙ্গের প্রাথমিক শিক্ষকরাও এই প্রক্রিয়ার আওতায় আসতে পারেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বেতন কাঠামো, বেতনবৃদ্ধির হার, ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বা বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও ঘোষণা নেই।










