অন্নপূর্ণা ভান্ডারের নতুন ফর্ম প্রকাশ, কাদের দিতে হবে জমা? জানুন

Published:

Annapurna Bhandar

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের (Annapurna Bhandar) টাকা ঢোকেনি এই অভিযোগে তোলপাড় গোটা রাজ্য। অনেকের স্ট্যাটাস এখনও পর্যন্ত আন্ডার এনকোয়ারি পর্যায়ে রয়েছে। এমনকি দ্বিতীয়বার ভেরিফিকেশন করা হলেও মিলছে না টাকা। এ নিয়ে এবার বড় আপডেট। নতুন করে ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিলেই নাকি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩০০০ টাকা ঢুকছে অ্যাকাউন্টে। হ্যাঁ, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এবার নতুন একটি ফর্ম প্রকাশ করা হয়েছে। যাদের টাকা ঢোকেনি তাদের সেই ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে হচ্ছে। কী কী লাগবে ওই ফর্মে?

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নতুন ফর্ম

নতুন যে ফর্ম প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে পরিবারের সমস্ত তথ্য যাওয়া হচ্ছে। প্রথমেই দিতে হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন আইডি। অর্থাৎ অনলাইনে আবেদন করার সময় যে আইডি জেনারেট হয়েছিল সেটি বসাতে হবে। এরপর দিতে হচ্ছে আধার নম্বর এবং ভোটার আইডি কার্ডের নম্বর। তারপর পরিবারের প্রধানের নাম দিতে হচ্ছে। এরপর নিজের নাম, স্বামী কিংবা বাবার নাম, গ্রামের নাম, গ্রাম পঞ্চায়েতের নাম, ব্লক এবং জেলা লিখতে হচ্ছে। এবার আবেদনকারী অবৈধ অধিবাসী কিনা তা সিলেক্ট করতে হবে। তারপর পরিবারের কেউ সরকারি চাকরি করে কিনা তা সিলেক্ট করতে হবে। তারপর আবেদনকারী আশা কর্মী কিংবা প্যারা টিচার কিনা তা সিলেক্ট করতে হবে। এরপর আয়কর দেন কিনা তা সিলেক্ট করতে হবে। তারপর সরকারি পেনশনভোগী কিনা বা পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা কিনা তাও লিখতে হবে।

সবশেষে অন্যান্য কোনও কারণ থাকলে তা লিখে নিচে তারিখ এবং স্থান লিখতে হবে। আর ডান দিকে নিজের স্বাক্ষর, নাম এবং কোনও পদে থাকলে সেই পদ লিখতে হবে। এরপর ওই ফর্মটি নিজের স্থানীয় পৌরসভা, ব্লক অফিস কিংবা বিডিও অফিসে গিয়ে জমা দিতে হবে। আশা করা যায়, আধিকারিকরা তা ভেরিফাই করে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের নাম নথিভুক্ত করবে। এবং একবার নাম নথিভুক্ত হলেই আগামী মাস থেকে মিলবে ৩০০০ টাকা করে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান থেকে চলছিল ষড়যন্ত্র! CJP আন্দোলনের মাঝে বড় তথ্য ফাঁস করল দিল্লি পুলিশ

বলে রাখি, চলতি জুলাই মাসের ১ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথা অনুযায়ী, রাজ্যের মোট ১ কোটি ১০ লক্ষের বেশি মহিলা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বাবদ ৩০০০ টাকা করে পেয়েছে। তবে এর পাশাপাশি প্রায় ২৬ লক্ষ আবেদন বাতিল হয়েছে। তাছাড়া প্রায় ২৮ লক্ষ আবেদন আন্ডার এনকোয়ারি পর্যায়ে রাখা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, পুনরায় যাচাই করে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর বন্দোবস্ত করবে রাজ্য সরকার।