বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় দল থেকে বিচ্ছিন্ন বহুদিন। সেই মহম্মদ শামির (Mohammed Shami) নিজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে উঠলো মহিলাকে ধর্ষণ (Rape) করার অভিযোগ। জানা যাচ্ছে, শামির ভাই মোহম্মদ কাইফ নাকি এক মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়মিত ধর্ষণ করতেন! লখনউয়ের বাসিন্দা ওই তরুণীর অভিযোগ, শামির ভাই তাঁকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় দিল্লির বিমান সংস্থায় কেবিন ক্রুর চাকরি পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে, কাইফ তাঁকে বিভিন্ন শহরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করতেন বলেই অভিযোগ তুলেছেন ওই মহিলা।
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ
2023 সালের সেপ্টেম্বর মাসে কাইফের সাথে প্রথম দেখা হয় ওই তরুণীর। তার আগে 2020 সালে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আলাপ হয়েছিল তাঁদের। এরপর মোবাইল নম্বর আদান-প্রদান এবং সেখান থেকে ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে ওঠে কাইফ এবং ওই তরুনীর মধ্যে। অভিযোগকারিণী জানিয়েছেন, তিনি বিবাহবিচ্ছিনা। সে কথা শামির ভাইকে একেবারে প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। এও বলেছিলেন, তাঁর একটি সন্তান রয়েছে। তাতে নাকি আপত্তি জানাননি কাইফ।
ওই তরুণীর কথায়, “আমাদের মধ্যে আলাপ হওয়ার পর আমাকে কাইফ বলেছিল ও আমাকে খুব ভালবাসে। আমায় বিয়ে করতে চায়। আমি জানিয়েছিলাম আমার একটি সন্তান রয়েছে। ও বলেছিল ওর তাতে কোনও আপত্তি নেই। এই কথায় বিশ্বাস করে আমি আমার চাকরি পর্যন্ত ছেড়ে দিয়েছিলাম।” ওই মহিলার দাবি, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন হোটেলে ডেকে পাঠাতো কাইফ। দিল্লিতে কাইফের খেলা থাকলেই দিল্লির বিভিন্ন হোটেলে ওই তরুণীকে নিয়ে যেতেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়, ওই মহিলা জানিয়েছেন, দিল্লির পাশাপাশি লখনউ ও কলকাতার বিভিন্ন হোটেলেও কাইফের সাথে সময় কাটিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে বিয়ের প্রসঙ্গ তুললেই সে নানান কথা বলে সেই বিষয়টি এড়িয়ে যেত। ওই তরুণীকে নাকি বলা হয়েছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের নিলাম পর্ব শেষ হলেই তাঁকে বিয়ে করবেন কাইফ। ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়েও নাকি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন শামির ভাই। তবে একটা সময় পর ওই তরুণীর সাথে যোগাযোগটাই বন্ধ করে দেন তিনি।
क्रिकेटर मो. शमी के भाई पर रेप का आरोप: लखनऊ की महिला बोली- IPL में सेलेक्शन के बाद शादी का वादा किया था….पढ़िए पूरा मामला क्या है….https://t.co/y3QCZ5ZPTc pic.twitter.com/LZzZ4rCK3M
— आदित्य तिवारी / Aditya Tiwari (@aditytiwarilive) September 13, 2026
আরও পড়ুন: কেন এশিয়া কাপ জিতেও নকভির হাত থেকে ট্রফি নিলো না ভারতের মেয়েরা?
তরুণী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় বিভিন্ন থানায় লিখিত মামলা দায়ের করতে গেলে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। বারবার পুলিশের তরফে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল নানান অজুহাত দেখিয়ে। তবে শেষ পর্যন্ত লখনউয়ের পূর্বাঞ্চলের ডিসিপির দফতরে লিখিত অভিযোগ জানান তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে ওই তরুণীর। এও জানা গিয়েছে, কাইফের সাথে থাকা সম্পর্কের কথা দাদা শামিকেও জানিয়েছিলেন মহিলা। এ বিষয়ে শামি সহ কাইফের পরিবারের সাথেও আলোচনা হয়। তবে তরুণীকে ভয় দেখানো হয়েছিল, কাইফের পরিবারের উঁচু মহলে যোগাযোগ রয়েছে।










