প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) সামনে রেখে একের পর এক গুরুতর পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে নির্বাচন কমিশন। বিপুল কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ নিয়েও কথাবার্তা চলছে। এমতাবস্থায় ফের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে ঘটে গেল এক ভয়ংকর ঘটনা। জানা গিয়েছে মাথাভাঙ্গায় (Mathabhanga) এক BSF-এর গুলিতে (BSF Firing) মৃত্যু হয়েছে এক বাংলাদেশী গরু পাচারকারীর। ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকা জুড়ে।
BSF-এর গুলিতে মৃত্যু বাংলাদেশি পাচারকারীর
রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ বুধবার, ভোরে বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু হল এক বাংলাদেশি পাচারকারীর। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মাথাভাঙ্গা ১ নং ব্লকের শিকারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নলঙ্গিবাড়ি এলাকায়। নিহত পাচারকারীর নাম আলী হোসেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গভীর রাতে ৭-৮ জন পাচারকারীর একটি দল কাঁটাতার কেটে ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু পাচার করার চেষ্টা করছিল। সেই সময় বিএসএফ পাচারকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। বাকিরা পালাতে সক্ষম হলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মহম্মদ আলি হোসেন নামে এক বাংলাদেশি যুবক।
আত্মরক্ষার্থে চালানো হয়েছিল গুলি
মৃত বাংলাদেশি পাচারকারী মহম্মদ আলি হোসেনের বাড়ি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলা এলাকায়। পুলিশের অভিযোগ, জওয়ানরা দুষ্কৃতীদের বাধা দিলে BSF জওয়ানদের আক্রমণ করে। সেইসময় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় সীমান্তে কর্তব্যরত থাকা BSF জওয়ানরা। তখনই গুলি লাগে আলি হোসেনের। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে মাথাভাঙ্গা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: এখনই ছাড় নয়! মোফাক্কেরুল ইসলামকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত মালদা আদালতের
বিজিবি সূত্রে জানা গিয়েছে, আলী হোসেন লালমনিরহাটের পাটগ্রামের ধবলগুড়ি গ্রামের প্রয়াত আবদুল গফুরের ছেলে। বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিতভাবে তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা। পাশাপাশি এই ঘটনাকে দুঃখজনক বলেও দাবি করা হয়েছে। BGB-র এক অধিনায়ক জানিয়েছেন, “তাঁকে গুলি না করে আটকের পর আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ হলে ভালো হতো। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি পতাকা বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে। আমরা সীমান্তে গুলি নয়, বিকল্প ব্যবস্থা চাই, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চাই।”












