বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের গর্বের তিন ট্রেন বন্দে ভারত, অমৃত ভারত এবং নমো ভারত (Namo Bharat)। এবার সেই নমো ভারতে করেই বুলেট ট্রেনের গতিতে হরিদ্বার বা ঋষিকেশ পৌঁছানোর স্বপ্ন কি সত্যি হতে চলেছে? ইঙ্গিত মিলছে তেমনই। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি থেকে এবার সোজা ঋষিকেশ পৌঁছনো যাবে মাত্র আড়াই থেকে 3 ঘণ্টার মধ্যেই! সেই লক্ষ্যে দিল্লির সরাই কালে খাঁ থেকে মিরাটের মোদিপুরম পর্যন্ত নমো ভারত ট্রেনের রুট বাড়িয়ে হরিদ্বার পর্যন্ত করা হতে পারে।
দিল্লি থেকে ঋষিকেশ পৌঁছবেন মাত্র 3 ঘণ্টায়!
এই মুহূর্তে দিল্লি-এনসিআর এবং গাজিয়াবাদ থেকে ঋষিকেশ যেতে সড়কপথে অনেকটাই সময় লেগে যায়। তবে বিশেষজ্ঞ মহলের অনেকেই মনে করছেন, দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট করিডোর আরও প্রসারিত হলে NCR ও প্রধান ধর্মীয় ক্ষেত্রে এবং পর্যটন ক্ষেত্রে গুলির মধ্যে যোগাযোগ অনেকটাই বাড়বে। রেল সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে দিল্লির সরাই কালে খাঁ থেকে মিরাটের মোদিপুরম পর্যন্ত চলাচলকারী নমো ভারত ট্রেনের রুট বাড়িয়ে হরিদ্বার পর্যন্ত সম্প্রসারিত করতে উদ্যোগী হয়েছে সরকার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরের সঙ্গে বৈঠকে নমো ভারতের রুট সম্প্রসারণের প্রস্তাব রেখেছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, দিল্লি থেকে সরাসরি হরিদ্বার পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেনের রুট সম্প্রসারণ হবে। একই সাথে দেরাদুন-হরিদ্বার-ঋষিকেশ রুটে আলাদা করে একটি মেট্রো করিডোর তৈরিরও দাবি জানান উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী। জানা যাচ্ছে, প্রস্তাবিত করিরোডটি মিরাটের মোদিপুরম থেকে 58 নম্বর জাতীয় সড়কের সাথেই। এর মাঝে পড়বে দৌরালা, খতৌলি, পুরকাজি এবং আইআইটি শহর রুরকি। এই রুট সোজা গিয়ে উঠবে হরিদ্বারের জলাপুর এবং ঋষিকেশে।
অবশ্যই পড়ুন: বাদ দিয়েছিল KKR, দেখা নেই টিম ইন্ডিয়াতেও! সেই শ্রেয়স আইয়ারই IPL-এ চেনালেন জাত
ওয়াকিমহল মহলের দাবি, দিল্লি থেকে সোজা হরিদ্বার বা ঋষিকেশ পর্যন্ত নমো ভারত এক্সপ্রেসের রুট সম্প্রসারণ হলে মাত্র আড়াই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছে যেতে পারবেন যাত্রীরা। একই সাথে দিল্লি সহ মাঝের বিভিন্ন রাজ্যগুলির সাথে উত্তরাখণ্ডের যোগাযোগ অনেকটাই মজবুত হবে। জোয়ার আসবে পর্যটন শিল্পে। যদিও অনেকেই মনে করছেন, এই বিশেষ পরিষেবা চালু হলে হরিদ্বার বা ঋষিকেশের বিভিন্ন হলিডে হোম বা হোটেল গুলির ভাড়া কম করে 200 থেকে 250 শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এক কথায়, দিল্লি থেকে সোজা হিমালয়ের কোলে ছুটি কাটাতে যেতে পারলেও আগের তুলনায় খরচ অনেকটাই বাড়তে চলেছে।












