মোদীর প্রাক্তন অর্থনৈতিক উপদেষ্টাই হতে পারেন বাংলার অর্থমন্ত্রী, কে এই সঞ্জীব সান্যাল?

Published:

Sanjeev Sanyal

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত ৯ মে, ২৫ বৈশাখের দিন বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ওইদিনই তাঁর সঙ্গে সঙ্গে শপথ নেন আরও পাঁচজন মন্ত্রী। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থ দফতরের মতো দফতরের মন্ত্রীর নাম ঘোষণা হয়নি। ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের নাম উঠে আসছে বিভিন্ন দফতরের মন্ত্রী তালিকায়। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে বঙ্গের পরবর্তী অর্থমন্ত্রী (Finance Minister Of West Bengal) কে হবেন? আর সেই তালিকায় নাম উঠে আসছে অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব সান্যালের (Sanjeev Sanyal)।

কে হতে চলেছেন পরবর্তী অর্থমন্ত্রী?

জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ জুন বিধানসভা অধিবেশন রয়েছে। আর ওইদিনই বাজেট অধিবেশন হবে। এদিকে এখনও পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী কে হবেন, কিছু নয়া রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষণা হয়নি। কিন্তু শোনা যাচ্ছে অর্থনীতিবিদ সঞ্জীব সান্যালকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে রাখতে চলেছে বিজেপি সরকার। আসন্ন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের সময় বিজেপি প্রার্থী হিসেবে টিকিট দেওয়া হতে পারে সঞ্জীবকে। আর জয়ী হলে অর্থমন্ত্রীর পদ দেওয়া হতে পারে তাঁকেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এই অর্থনীতিবিদই একসময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অর্থনৈতিক উপদেষ্টাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

সঞ্জীব সান্যালের পরিচয়

সঞ্জীব সান্যাল সেন্ট জেভিয়ার্স ও সেন্ট জেমস স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন। এরপর দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রী রাম কলেজ অব কমার্সে পড়াশোনা করেছিলেন। সেখানে পড়াশোনার পার্টপাঠ শেষ হলে অক্সফোর্ডের সেন্ট জন কলেজে উচ্চশিক্ষার পাঠ নেন। কর্মজীবনে প্রথমে তিনি ডয়েস ব্যাঙ্কের মুখ্য ইকনমিস্ট হিসেবে কাজ করতেন। কিন্তু পরে গবেষণার কাজের জন্য চাকরি ছেড়ে দেন। এরপর ২০১৭-তে ভারতের অর্থ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন। এবং ২২-এর ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: কলকাতা থেকে ভুটান অবধি শুরু হল আরও একটি বাস পরিষেবা, জানুন সময়সূচি ও ভাড়া

প্রসঙ্গত, আজ, শুক্রবার নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পদত্যাগপত্র দিলেন নতুন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে। আসলে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সাংবিধানিক নিয়ম মেনে একটি আসন ছাড়তে হতো তাঁকে। তাই আজ নিজের পুরনো কেন্দ্র নন্দীগ্রাম থেকে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, এবার থেকে তিনি ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবেই কাজ করবেন।