বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টেসলা, স্পেসএক্স সহ সমস্ত প্রথম সারির প্রযুক্তি সংস্থার CEO ইলন মাস্ক (Elon Musk) ধন-সম্পদের পাশাপাশি আরও এক ক্ষেত্রে গোটা বিশ্বে এক নম্বরে। সর্বাধিক বেতন প্রাপ্ত CEO এর দৌঁড়ে মাস্কের সাথে টক্কর নেই কেউই! তবে যদি সর্বাধিক বেতনের নিরিখে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম CEO (World Second Salaried CEO) এর প্রসঙ্গ উঠে সেক্ষেত্রে বলতেই হবে ভারতীয় বংশোদ্ভুত বলা ভাল বাঙালি শঙ্খ মিত্রের কথা। আমেরিকার প্রধান রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ওয়েলটাওয়ারের CEO তিনি। যাঁর বেতন জানলে চমকে যেতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা, ইলন মাস্কের পরই বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেতনভোগী CEO তিনিই।
শঙ্খ মিত্রের বেতন জানলে চমকে যাবেন!
আমেরিকার প্রথম সারির সংস্থা ওয়েলটাওয়ারের CEO হওয়ার দরুন ভারতীয় বংশোদ্ভূত বলা ভাল বাঙালি শঙ্খ মিত্রের বেতনের পরিমাণ 821 মিলিয়ন ডলার। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ভারতীয় মুদ্রায় যা 7,749 কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, মিত্রের মোট অ্যানোয়াল প্যাকেজের 99 শতাংশই সংস্থার দীর্ঘমেয়াদি পারফরমেন্স যুক্ত স্টক অ্যাওয়ার্ড। বলে রাখি, গত বছরের শেষের দিকে এই সংস্থার স্টকের দাম ছিল 1 বিলিয়ন ডলারের বেশি।
জানা গিয়েছে, শঙ্খ মিত্রের মোট প্যাকেজে 789 মিলিয়ন ডলারের একটি বড় অঙ্কের স্টক অনুদান রয়েছে। আসলে এই বাঙালির দেখানো পথে হেঁটে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ব্যবসায় ব্যাপক মুনাফা অর্জন করেছে মার্কিন সংস্থাটি। মূলত প্রবীনদের আবাসন থেকে শুরু করে মেডিকেল অফিস বিল্ডিং এ বিনিয়োগ করে এই কোম্পানি। সেই সূত্রেই বিগত দিনগুলিতে ব্যবসা বৃদ্ধির সাথে সাথে স্টকের দামও হুড়মুড়িয়ে বেড়েছে। আর সেই সূত্র ধরেই শঙ্খ মিত্রের সাথে চুক্তির ভিত্তিতে তাঁকে স্টক বেসড পুরস্কার দিয়েছে সংস্থাটি।
অবশ্যই পড়ুন: আবার ঝাউবনের আলোছায়ায় ঢাকবে দিঘার সমুদ্র সৈকত, বনদপ্তরের উদ্যোগে শুরু হয়েছে কাজ
প্রসঙ্গত, কলকাতায় জন্ম শঙ্খ মিত্রের। এরপর শহরেই বেড়ে ওঠা। পরবর্তীতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। এরপর আমেরিকায় গিয়ে কলম্বিয়া বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ করেন শঙ্খ। সেখানেই অ্যাপ্লাইড ভ্যালু ইনভেস্টিং এ স্পেশালাইজড হয়ে ওঠেন। যদিও মার্কিন সংস্থা ওয়েলটাওয়ারে শঙ্খ মিত্রের যোগ দেওয়া 2016 সালে। আর যোগদানের মাত্র দু বছরের মধ্যেই তাঁকে CIO করে নেয় সংস্থাটি। পরবর্তীতে নিজের দক্ষতা দেখিয়ে 2020 সালে সংস্থাটির CEO হয়ে ওঠেন শঙ্খ।










