বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিয়েছে বাংলার বিজেপি সরকার (Bharatiya Janata Party)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শপথ বাক্য পাঠ করেছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিজেপির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জিৎ (Actor Jeet), প্রসেনজিৎ সহ বাংলার এক ঝাঁক তারকা। ব্রিগেড থেকে নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পরই রবিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে বড় পোস্ট করলেন অভিনেতা জিৎ। একটা দীর্ঘ সময় রাজনীতি থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখা অভিনেতা এবার বললেন বড় কথা।
বাংলায় নতুন সরকার গড়তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন জিৎ
আজ অর্থাৎ রবিবার, নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিনেতা জিৎ একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, “এই জিৎ, এই বিজয় ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য একটি অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। এটা শুধু রাজনৈতিক জয় নয়, মানুষের প্রতি এক বড় অঙ্গীকার। পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি ভূমি যা সম্পদ, প্রতিভা, সংস্কৃতি এবং অসংখ্য মানুষের অবদানে সমৃদ্ধ। এই মাটির মানুষ তাঁদের মেধা, পরিশ্রম এবং আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে বহু কিছু দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই বাংলার গৌরব, অস্মিতা, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার ঐতিহ্যকে যেভাবে মানুষের চোখে, এবং বিশ্বের চোখে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা সত্যিই বেদনাদায়ক।”
এদিন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এতদিন রাজনীতির ময়দান থেকে দূরে থাকা জিৎ আরও লিখেছেন, “আজ আমি আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার বাংলার জন্য এক নতুন সকাল, এক নতুন আলোর দিশা নিয়ে আসবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন-“মোদীর গ্যারান্টি”সেই কথার উপর আজ কোটি কোটি মানুষের আশা ও বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে। আমি আশা করি ভারতের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশ পশ্চিমবঙ্গ, আমাদের প্রিয় বাংলা, আবারও সোনার বাংলা হয়ে উঠবে এবং তার হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনরুদ্ধার করবে। এটাই আমার আশা, জয় হিন্দ।”
— Jeet (@jeet30) May 10, 2026
অবশ্যই পড়ুন: তৃণমূলের নির্দেশে সিঙ্ঘম অজয় পাল শর্মাকে নিয়ে উস্কানি মন্তব্য! সব ফাঁস করলেন ঋজু দত্ত
এতদিন রাজনীতির রঙ গায়ে না লাগতে দিলেও নেট দুনিয়ার অনেকেই মনে করছেন 15 বছর ধরে বাংলায় চলা অপশাসন দেখতে দেখতে কার্যত বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতাও। তাই ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার ক্ষমতায় আসার পরই খোলা মনে নতুন সরকারের কাছে নিজের দাবিদাওয়া জানানোর পাশাপাশি বাংলার হারিয়ে যাওয়া অস্মিতা, সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনার কথা বলছেন তিনি।










