সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। এমনকি তাদের সেই আন্দোলন ইতিমধ্যেই সফল হয়েছে, এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি লোকসভায় পেশ হয়েছে প্রশ্নফাঁস বিরোধী বিল। তবে এবার গ্রামের স্কুলগুলির শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য গোটা দেশজুড়ে বিশেষ কর্মসূচির ডাক দিলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। আগামী ১৫ আগস্ট থেকে শুরু হবে এই অভিযান, এবং সেখানে অভিভাবক থেকে প্রত্যেককে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গ্রামীণ শিক্ষা উন্নয়নের জন্য বিরাট কর্মসূচির ডাক অভিজিতের
এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ জানান, তিনি মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি গ্রামে সেখানকার সরকারি স্কুলগুলির উন্নতির অনুরোধ জানিয়ে গ্রামপ্রধানের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন। তাঁর কথায়, “আগামী ১৫ আগস্ট আমাদের দেশের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবস। তবে গত ৮০ বছরে যদি কোনও কিছু সবথেকে বেশি অবহেলিত বা উপেক্ষিত হয়ে থাকে, তাহলে তা হল আমাদের গ্রামের সরকারি স্কুলগুলি। আমরা প্রতিনিয়ত নতুন সংসদ, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন তৈরি করছি। তবে কেন আমরা গ্রামগুলিতে নতুন স্কুল তৈরি করতে পারব না? আমরা কি কৃষক বা শ্রমিকদের সন্তানদেরকে দেশের ভবিষ্যৎ বলে মনে করি না?”
অভিজিৎ জানান, গ্রামের ছেলেমেয়েদের এখনও পর্যন্ত স্কুলে যাওয়ার জন্য কোনও পরিবহণ ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘ পথ হেঁটে তাদেরকে স্কুলে যেতে হয়। এমনকি পর্যাপ্ত পরিমাণে পানীয় জল বা শৌচাগারের ব্যবস্থা নেই। মৌলিক সুবিধাটুকু তারা পায়না। তাঁর কথায়, “আমি মনে করি যে আগামী ১৫ আগস্ট যদি কোনও বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হয়, যদি কোনও কিছু নতুন করে শুরু করতে হয়, তাহলে আমাদের সরকারি স্কুলগুলির উন্নতি দিয়েই তা শুরু করা উচিত।”
This Independence Day, let’s pledge to improve the Govt Schools in our villages. pic.twitter.com/fZyRrmoNhu
— Abhijeet Dipke (@abhijeet_dipke) August 10, 2026
আরও পড়ুন: ভারতের খবর পাঠাতো পাকিস্তানে, ১৫ আগস্টের আগে হাবড়ায় গ্রেফতার ISI-র পাকিস্তানি এজেন্ট
তিনি জানিয়েছেন যে তিনি ব্যক্তিগতভাবেই হিঙ্গোলি গ্রামপ্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন এবং অন্যান্য অঞ্চলের প্রধানকেও এই উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করবেন। এমনকি সিজেপি তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোন স্কুলগুলির কতটা উন্নতি হল সেই সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরবে। অভিজিতের কথায়, “আমরা আপনাদেরকে কৃতিত্ব দেব। যাতে আপনারা যে স্কুলগুলির উন্নতি করেছেন তা দেখে অন্যান্য গ্রামের প্রধানরাও তাদের গ্রামের স্কুলগুলির উন্নতি শুরু করেন।”










