প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: DA বৃদ্ধি নিয়ে এবার বড় ঘোষণা সরকারি কর্মী এবং পেনশন প্রাপকদের জন্য, রাজ্য সরকারের তরফে একধাক্কায় এবার ২ শতাংশ বাড়ানো হল মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance)। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই খুশির মেজাজ দেখা গিয়েছে চারিদিকে। DA বা মহার্ঘ ভাতাকে কেন্দ্র করে বরাবরই বিভিন্ন রাজ্যে কর্মীরা (Government Employees) নানা দাবি তুলে থাকে, সকলেই চায় কেন্দ্রের মত সম পরিমাণে DA পেতে, আর এবার সেই কথা মাথায় রেখেই মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বড় আপডেট দিল সরকার।
২ শতাংশ DA বাড়ল সরকারি কর্মীদের
জানিয়ে রাখা প্রয়োজন, সরকারি কর্মী এবং পেনশন প্রাপকদের DA বা মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে সিকিম সরকারের তরফে। সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী সিং তামাং গত শনিবার, ১৫ আগস্টের দিন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা এবং পেনশনভোগীদের DR ২% বৃদ্ধির ঘোষণা করেছেন। বর্ধিত এই DA কার্যকর করা হয়েছে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে। অর্থাৎ আগামী সেপ্টেম্বরে ওইদিন গ্যাংটকে পালজোর স্টেডিয়ামে স্বাধীনতা দিবসের জন্য বক্তব্য রাখতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী এই ঘোষণাটি করেছিলেন। জানানো হয়েছে দশেরার আগেই এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বরেই বেতনের সঙ্গে দেওয়া হবে বর্ধিত DA।
পশ্চিমবঙ্গে কত?
সম্প্রতি বঙ্গে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। আর ক্ষমতায় আসতেই সরকারি কর্মীদের DA বৃদ্ধি নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য বাজেটে সরকারি কর্মীদের জন্য অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানিয়েছিলেন এবার ২০ শতাংশ DA বেড়ে রাজ্য সরকারি কর্মীরা পাবেন সর্বমোট ৩৮ শতাংশ DA। আর এই বর্ধিত DA আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকরী হবে বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বেশ খুশি বঙ্গীয় সরকারি চাকুরেরা। যদিও পূর্বতন তৃণমূল সরকারের আমলে ডিএ নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি।
আরও পড়ুন: নিউটাউনে সরবে নবান্ন, এক ছাদের তলায় সব দফতর আনার প্ল্যান রাজ্য সরকারের
পূর্বতন সরকারের আমলে গত ফেব্রুয়ারি মাসের অন্তর্বর্তী বাজেটে ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর ঘোষণায় ডিএ বেড়ে হয়েছিল ২২ শতাংশ। এদিকে এপ্রিল থেকে বর্ধিত DA কার্যকর করার কথা জানানো হলেও এখনও অনেক সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষক–শিক্ষিকা তা পাননি বলেই অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়, সরকারি কর্মীদের ডিএ দেওয়া আদৌ বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশেষে সেই জট কাটলেন শুভেন্দু অধিকারী।










