৪ বছর প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা, রাখি উপলক্ষে মেয়েদের বড় উপহার রাজ্য সরকারের

Published:

Rakhi Purnima 2026

সহেলি মিত্র, কলকাতা: রাখি (Rakhi Purnima 2026) উপলক্ষে বড় চমক দিল রাজ্য সরকার। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে মহিলাদের এক ধাক্কায় ১০,০০০ হাজার টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮শে আগস্ট রাখি পূর্ণিমা। চারিদিকে তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। মেয়েরা রাখি কিনতে ব্যস্ত। এদিকে এই উপলক্ষে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী বোনদের জন্য একটি বড় উপহার হিসেবে ১০,০০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

রাখি উপলক্ষে মেয়েদের ১০,০০০ টাকা দেওয়ার ঘোষণা সরকারের

গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী তাঁর এক্স হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করে এই বড় ঘোষণাটি করেন। মুখ্যমন্ত্রী জানান যে ‘মুখ্যমন্ত্রীর গার্লস পিএইচডি ফেলোশিপ’ চালু করা হবে, যার অধীনে প্রায় ১,০০০ ছাত্রী চার বছরের জন্য প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা করে পাবে। মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “শুভ রক্ষা বন্ধন উপলক্ষে, আগামীকাল বিহারের কন্যা ও বোনদের সম্মান, সুরক্ষা এবং ক্ষমতায়নের পথে এক নতুন সূচনা হতে চলেছে। পুলিশ দিদিদের (অভয়া ব্রিগেড) ৪,৭০০টি স্কুটার এবং মোটরসাইকেলের ফ্ল্যাগ-অফ অনুষ্ঠান ও উদ্বোধন করা হবে। এর মাধ্যমে আমাদের স্কুল ও কলেজে পড়ুয়া বোনদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।”

তিনি আরও ঘোষণা করেন যে রাজ্যে “বিহার কি বেটি স্টার্টআপ চ্যালেঞ্জ স্কিম” চালু করা হবে। এই প্রকল্পের অধীনে কন্যাদের ৫০,০০০ টাকা থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে নারীদের অগ্রগতিই বিহারের অগ্রগতির চাবিকাঠি। তাঁর সরকার কন্যা ও বোনদের নিরাপত্তা, সম্মান, শিক্ষা এবং আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এক কোটি কর্মসংস্থানের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের সংবাদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত রাখিবন্ধনের আগের এক অনুষ্ঠানে সম্রাট চৌধুরী নারীদের কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিন দিনব্যাপী একটি বিশেষ অভিযানের সূচনা করেছেন। এই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, আগামী তিন বছরের মধ্যে বিহারের ১ কোটি মহিলাকে সরাসরি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ছাপিয়ে গেল লক্ষ্যমাত্রা, আবাস যোজনার সমীক্ষায় নথিভুক্ত ৪০ লক্ষ সম্ভাব্য উপভোক্তার নাম

এই বিশেষ অভিযানটি ২৫, ২৬ ও ২৭শে আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এই অভিযানের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিভাগ, দুগ্ধ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগ এবং তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি কল্যাণ বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় নারীরা সুবিধা পাবেন। ভাষণে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে, নারী ক্ষমতায়নের মাধ্যমেই বিহারের সমৃদ্ধির পথ তৈরি হবে। ২০৩০ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগেই এক কোটি নারীকে সরাসরি কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।