মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পরোয়া নেই! ট্রাম্পের চাপের মধ্যেই ভারতের সাথে ব্যবসা বাড়াতে মরিয়া ইরান

Published:

India Iran

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মার্কিন (America) নিষেধাজ্ঞার কারণে সমস্যায় পড়েছে ইরান (Iran)। ইরানের পেট্রোকেমিক্যাল এবং পেট্রোলিয়াম ব্যবসার সাথে জড়িত ভারতীয় সংস্থাগুলির উপর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে, ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতাহলি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ইরানের সাথে বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে ইরানের রাষ্ট্রদূত স্বীকার করে নিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় এর প্রভাব ভারত এবং ইরানের বাণিজ্যে কিছুটা হলেও পড়েছে।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই ভারতের সাথে ব্যবসা বাড়াতে চায় ইরান

দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ভারত এবং ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অব্যাহত রাখতে বাস্তবসম্মত উপায় খুঁজে বের করতে হবে দুপক্ষকেই। তাঁর কথায়, জ্বালানি থেকে শুরু করে কৃষি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ইরান ভারতীয় সংস্থাগুলিকে স্বাগত জানাতে পুরোপুরি তৈরি।

বলাই বাহুল্য, ভারতীয় বাসমতি চাল এবং চা আমদানিকারক দেশগুলির মধ্যে অন্যতম ইরান। তবে সম্প্রতি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে প্রশ্ন উঠছে এই সব পণ্যের সরবরাহ নিয়ে। যদিও ফাতালি আশ্বস্ত করেছেন, ইরানে ভারতীয় বাসমতি চাল, চা সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহের কোনও ঘাটতি আপাতত নেই। এদিন ইরানের রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সমস্যা দূর করতে ইরানের কাছে একাধিক পথ খোলা রয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে ঠিকই তবে এর কারণ সরবরাহ ঘাটতি নয়। বরং বৃহত্তর অর্থনৈতিক চাপের কারণেই দাম বাড়ছে পণ্যের।

আরও পড়ুন: বাদ বিরাট, বুমরাহ! রাখলেন নিজেকে, সর্বকালের সেরা টেস্ট একাদশ বেছে বিপাকে রাহানে!

ইরানের ওই রাষ্ট্রদূত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সহ একাধিক সমস্যার মধ্যেও ভারতের সাথে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা বাড়ানোর কথা জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রায় 47 বছর ধরে সব রকম নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান নিজের কাজ করে চলেছে। এই ধরনের ঘটনাকে প্রশমিত করার চেষ্টা করছে। এদিন বন্ধু দেশটির রাষ্ট্রদূত ন্যানোপ্রযুক্তি থেকে শুরু করে জৈব প্রযুক্তি সহ একাধিক ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন।

google button