ইউরেনিয়াম নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, উজবেকিস্তান থেকে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী মোদীর

Published:

Narendra Modi

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: উজবেকিস্তান সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। দেশটির রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে একাধিক আলোচনা হওয়ার কথা। দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এখন মূল লক্ষ্য। সেই মতো রবিবার রাষ্ট্রপতি শাভকাত মির্জিয়েভের সঙ্গে একাধিক আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক চলাকালীন মির্জিয়েভ প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘ওলি দারাজালি দুস্তলিক’ প্রদান করেছেন। তবে সফর চলাকালীন দুই দেশের ইউরেনিয়াম চুক্তি নিয়ে হল একাধিক ঘোষণা।

মোদীকে উজবেকিস্তানের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদান এবং ইউরেনিয়াম চুক্তি

এই পুরস্কার গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান, “আজ আমরা তিনটি সিস্টার সিটি এবং সিস্টার স্টেট চুক্তিকে আনুষ্ঠানিকভাবে রূপ দিচ্ছি। আমাদের দেশে নিউ তাসখন্দের মতো বড় প্রকল্প চলমান রয়েছে। অন্যদিকে গুজরাটে গিফট সিটি গড়ে তুলেছি। এই উন্নয়ন প্রকল্পগুলিতে ব্যবহৃত সেরা কর্মপদ্ধতি আর প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে আমরা উজবেকিস্তানের প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত হব। আমরা ইউরেনিয়াম সরবরাহের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাও করব। দুই দেশের মধ্যে ইউরেনিয়াম নিয়ে এই চুক্তি আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এ বছর আমরা কৌশলগত অংশদারিত্বের ১৫তম বার্ষিকী উদযাপন করেছি।”

এমনকি দেশটির রাষ্ট্রপতি শাভকাত মির্জিয়েভের সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “আমি আপনার বইটি দেখেছি। এতে আপনি আপনার পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্পকে চিহ্নিত করেছেন। এই অগ্রগতির জন্য সময়সীমাও নির্ধারণ করেছেন আপনি। আমি এই উদ্যোগের প্রশংসা করি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে একসঙ্গে কাজ করে আমরা দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাব।”

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে নেহরুর মূর্তি ভেঙে ফেলা হল জঙ্গলে, পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম কংগ্রেসের

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে আলোচনা সেরে উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, “ভারত আমাদের এক বিশ্বস্ত কৌশলগত অংশীদার। গত বছর প্রথমবারের মতো আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এখন আমাদের দুই দেশের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ১৪টি সরাসরি ফ্লাইট চলাচল করে। লাল বাহাদুর শাস্ত্রী সেন্টার ফর ইন্ডিয়ান কালচার এবং মহাত্মা গান্ধী সেন্টার ফর ইন্ডিয়ান স্টাডিজ আমাদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে এই দুই দেশের ইউরেনিয়াম চুক্তি ভবিষ্যতে আরও উন্নতির দিকে এগোবে।”